ঢাকাThursday , 25 August 2016
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

কেরির সফরে গুরুত্ব পাবে গণতন্ত্র, নিরাপত্তা, মানবাধিকার

Link Copied!

John-Kerryনিজস্ব প্রতিবেদক : যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জন কেরির বাংলাদেশ দফরে বিশেষ করে গণতন্ত্র, উন্নয়ন, নিরাপত্তা ও মানবাধিকার নিয়ে দুই দেশের মধ্যে আলোচনা হবে বলে জানিয়েছে দেশটি। তাদের আশা এই সফরে ‘দীর্ঘদিন যে অংশীদারিত্ব রয়েছে তা শক্তিশালী করার বিষয়টি আলোচনায় গুরুত্ব পাবে’।
বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের বাংলাদেশ দুতাবাসের এক বিজ্ঞাপ্তিতে এ কথা বলা হয়। দূতাবাসের মুখপাত্র ও গণমাধ্যম সম্পর্ক বিষয়ক কার্যালয়ের পরিচালক এলিজাবেথ ট্রুডো এই বিজ্ঞপ্তিতে বলেন, ‘বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার দীর্ঘমেয়াদী ও বিস্তৃত সম্পর্ক আরো জোরদার করার লক্ষ্য নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জন কেরি আগামী ২৯ আগস্ট ঢাকা, বাংলাদেশ সফরে আসছেন।’
সাড়ে তিন বছর আগে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব নেওয়ার পর এবারই প্রথম বাংলাদেশে আসছেন জন কেরি। সফরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ এইচ মাহমুদ আলীর সঙ্গে বৈঠক করার কথা আছে তার। এছাড়া পেশাজীবী, নাগরিক সমাজ এবং গণমাধ্যমে একটি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে তিনি মতবিনিময় করবেন বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম বিবিসি।
মধ্যপ্রাচ্য, ইউরোপ এবং বাংলাদেশে সাম্প্রতিক জঙ্গি তৎপরতার প্রেক্ষিতে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এই সফরকে খুবই গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। তবে এই সফর নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে এতদিন আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি।
গত ১ জুলাই গুলশানের হলি আর্টিজানে জঙ্গি হামলার পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ফোন করেছিলেন কেরি। তখন জঙ্গিবাদ নির্মূলে বাংলাদেশকে সব ধরনের সহযোগিতা দেয়ার কথা বলেন তিনি।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, আগামী ২৯ থেকে ৩১ আগস্ট ভারতের নয়া দিল্লি সফর করবেন কেরি । সেখানে তিনি ভারতের ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তাদের সাথে বৈঠক করবেন। এই সফরে ৩০ আগস্ট কেরি এবং যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যমন্ত্রী পেনি প্রিৎস্কার যুক্তরাষ্ট্র-ভারতের মধ্যকার দ্বিতীয় কৌশলগত ও বাণিজ্যিক সংলাপ এ অংশ নেবেন।
একে যুক্তরাষ্ট্র এবং ভারতের মধ্যকার টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, কর্মসংস্থান, জীবিকা, ব্যবসা ও বিনিয়োগ পরিস্থিতির উন্নয়ন, এবং বিশ্বব্যাপী টেকসই আইনের শাসন এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার একটি প্রক্রিয়া হিসেবে দেখছে যুক্তরাষ্ট্র।