নিজস্ব প্রতিবেদক : দলীয়ভাবে স্থানীয় সরকারের সিটি করপোরেশন নির্বাচনের জন্য নির্বাচনের বিধিমালা সংশোধন করছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। তাই দলীয় প্রতীকের বাইরে কেউ মেয়র পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী হতে হলে তাকে ৩০০ ভোটারের সমর্থন পেতে হবে।
বৃহস্পতিবার নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সচিব সিরাজুল ইসলাম জানান, দলীয় প্রতীকের বাইরে কেউ মেয়র পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী হতে চাইলে তাকে ৩০০ ভোটারের সমর্থন পেতে হবে- এমন বিধান রেখে বিধি সংশোধন করেছে ইসি। এখন ভেটিংয়ের জন্য আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে।
সিরাজুল ইসলাম বলেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হতে হলে সংশ্লিষ্ট এলাকার মোট ভোটারের ১ শতাংশ এবং পৌরসভা নির্বাচনে ১০০ ভোটারের স্বাক্ষর তালিকা মনোনয়নপত্র দাখিলের সময় জমা দিতে হয়। তবে ইউপি নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থীদের ক্ষেত্রে কোনো ভোটারের স্বাক্ষর জমা দিতে হয় না।
তিনি বলেন, স্থানীয় সরকারের পৌরসভা, ইউনিয়ন পরিষদের মতো সিটি নির্বাচনের প্রচারে অংশ নিতে পারবেন না সরকারি সুবিধাভোগীরা। স্থানীয় সরকার সিটি করপোরেশন (নির্বাচন আচরণ) বিধিমালা, ২০১৬ তে এই বিধান যুক্ত হচ্ছে। খসড়া বিধিমালার ২২ ধারা অনুযায়ী অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি হিসেবে প্রধানমন্ত্রী, স্পিকার, ডেপুটি স্পিকার, মন্ত্রী, চিফ হুইপ, ডেপুটি স্পিকার, বিরোধী দলীয় নেতা, সংসদ উপনেতা, প্রতিমন্ত্রী, হুইপ, উপমন্ত্রী বা তাদের সমমর্যাদার কোনো ব্যক্তি, সংসদ সদস্য এবং সিটি করপোরেশনের মেয়ররা নির্বাচনী প্রচারে অংশ নিতে পারবেন না। তবে উক্ত ব্যক্তিরা সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী এলাকার ভোটার হলে তিনি কেবল তার ভোট দেওয়ার জন্য ভোটকেন্দ্রে যেতে পারবেন।
সচিব আরো জানান, চলতি বছরের ডিসেম্বরে নারায়ণগঞ্জ ও কুমিল্লা সিটির নির্বাচন একই দিনে করার পরিকল্পনা করছে ইসি। তবে নির্বাচনের সময়সূচি ঘোষণার ক্ষেত্রে বছর শেষে পঞ্চম শ্রেণির সমাপনী ও অষ্টম শ্রেণির জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট পরীক্ষার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

