ঢাকাThursday , 18 August 2016
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

উন্নয়ন প্রকল্পে দুদকের প্রতিনিধি রাখার চিন্তা

Link Copied!

iqbal-mahmudনিজস্ব প্রতিবেদক : দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ বলেছেন, সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের দুর্নীতি দূর করতে দুদক প্রতিনিধি রাখার চিন্তাভাবনা করছি। যাতে আমাদের প্রতিনিধি এই প্রকল্প সংশ্লিষ্ট দরপত্র, কাজের প্রক্রিয়া ও জনগণের পারসেপশন ইত্যাদি বিষয় পর্যবেক্ষণ করতে পারেন।
বৃহস্পতিবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ের এনইসি সম্মেলন কেন্দ্রে দুদকের কৌশলগত কর্মপরিকল্পনা ২০১৬-২০২১ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
ইকবাল মাহমুদ বলেন, ‘সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে যাতে দুর্নীতি না হয় সে জন্য কিছু কিছু প্রকল্পে দুদকের প্রতিনিধি রাখার চিন্তাভাবনা করছি। যাতে দুদকের প্রতিনিধি এই প্রকল্প সংশ্লিষ্ট দরপত্র, কাজের প্রক্রিয়া ও জনগণের পারসেপশন ইত্যাদি বিষয় পর্যবেক্ষণ করতে পারে।
তিনি বলেন, ‘আমরা চাই দুর্নীতি ঘটার আগেই যাতে রোধ করা যায়। অর্থাৎ প্রতিরোধের উপর জোড় দিতে চাই। মানুষের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টি করে দুর্নীতি বিষয়ে প্রতিরোধ গড়তে চাই। যাতে মানুষের মধ্যে এ বিষয়ে জাগরণ সৃষ্টি হয়।
সরকারি কর্মকর্তাদের সম্পদের হিসাব দেওয়া প্রসঙ্গে দুদক চেয়ারম্যান বলেন, ‘সরকারের একটি নিয়ম রয়েছে যে, প্রতি ৩ বছর পর পর সম্পদের হিসাব দেওয়া। আজকের মতবিনিময় সভায়ও উন্নয়ন সহযোগিদের বক্তব্যে এ কথা উঠে এসেছে। যা অত্যন্ত ভাল দিক। বিষয়টি দুদক পর্যবেক্ষণ করছে। তবে দুদকের একার পক্ষে শতভাগ বাস্তবায়ন করা সম্ভব নয়।’
তিনি বলেন, ‘আমরা আমাদের সীমাবদ্ধতা, আমাদের লোকবল ও কাজের পরিধি সম্পর্কে অবগত আছি। আমরা জানি আমাদের সীমাবদ্ধতা কোথায়। এজন্য চাচ্ছি দুদকের সকল কর্মকাণ্ডে সরকার ও জনগণকে সম্পৃক্ত করে আমাদের সক্ষমতা বৃদ্ধি করতে। আমরা চাই আমাদের সিস্টেম পরিবর্তন করতে। যখন সিস্টেম কাজ না করে তখনই দুর্নীতি হয়।
দুদকের নিজস্ব সশস্ত্র ইউনিট প্রসঙ্গে সংস্থাটির প্রধান বলেন, ‘দুদকের নিজস্ব ইউনিট প্রয়োজন। পুলিশ আমাদের সবসময় সহযোগিতা করে। তবে পুলিশের এত কাজ যে তারা অনেক সময় ইচ্ছে থাকা সত্ত্বেও সময় দিতে পারে না। এজন্য দুদকের নিজস্ব বাহিনী দরকার। তবে এর সঙ্গে আর্থিক ও আইনি বিষয় জড়িত। আইন আমাদের সমর্থন করে। আমরা আশা করছি এর বাস্তবায়ন করতে পারবো।
মতবিনিময় সভায় সূচনা বক্তব্য রাখেন দুদক কমিশনার এফ এম এ আমিনুল ইসলাম।
সভায় দুদক কমিশনার (অনুসন্ধান) ড. নাসির উদ্দিন আহমেদ, দুদক সচিব আবু মো. মোস্তফা কামাল, বাংলাদেশে বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর কিমিআও ফান, ইউরোপীয় ইউনিয়নের সিনিয়র প্রোগ্রাম অফিসার (বাংলাদেশ) রুবায়েত জেসমিন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা, জাইকা, এশিয়ান ডেফলপমেন্টসহ বাংলাদেশের উন্নয়ন সহযোগি বিভিন্ন সংস্থার উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বক্তব্য রাখেন।