স্পোর্টস ডেস্ক : গত বছরের এপ্রিলে পাকিস্তানের বিপক্ষে টি২০ ম্যাচ দিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক হয়েছিল মোস্তাফিজুর রহমানের। তারপর থেকে এই বাঁহাতি পেসার একের পর এক কীর্তি গড়ে চলেছেন। তবে তার এই কীর্তি গড়ার পেছনে বড় বাঁধা হয়ে দঁড়িয়েছে ইনজুরি। ইংল্যান্ডে কাউন্টি লিগ খেলতে গিয়ে আবারো ইনজুরিতে পড়েছেন পেস বিস্ময়। তবে তা সত্ত্বেও এখনই তাকে দেশে আনার কথা ভাবছে না বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। বাংলাদেশের তুলনায় ইংল্যান্ডে ভালো চিকিৎসার ব্যবস্থা থাকায় এ সুযোগটা নিতে চাচ্ছে বিসিবি। সোমবার এমনটাই বললেন বাংলাদেশ জাতীয় দলের ম্যানেজার ও সাবেক অধিনায়ক খালেদ মাহমুদ সুজন।
কাঁধের পুরোনো ইনজুরি হঠাৎ করে দেখা দিয়েছে মোস্তাফিজের। ফলে রোববার গ্লস্টারশায়ারের বিপক্ষে রয়্যাল লন্ডন ওয়ানডে কাপের ম্যাচে মাঠে নামেননি ফিজ। বিশেষ করে মোস্তাফিজের খেলানোর ব্যাপারে সতর্কতাও ছিল সাসেক্স। এসব কারণে তাকে বিশ্রাম দিয়েছে ক্লাবটি।
সোমবার মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামের বিসিবি কার্যালয়ে খালেদ মাহমুদ সুজন বলেন, ‘মোস্তাফিজকে দেশে আনার ব্যাপারে কোন কথাই হয়নি। আজকে (সোমবার) একজন বিশেষজ্ঞকে দেখাবে মোস্তাফিজ। যেহেতু ইংল্যান্ডে আমাদের চেয়ে আরো ভালো চিকিৎসার ব্যবস্থা আছে, তাই আমরা এ সুযোগটা হাতছাড়া করতে চাই না। ওর ইনজুরি কতটা আমরা জানি না। যদি বড় কোন ইনজুরিও হয়, তাহলে আমার মতে বোর্ডেরও উচিত ওখানে তাকে রেখে ইনজুরিটা একেবারে সারিয়ে আনা।’
তবে বড় ধরণের কোন ইনজুরিতে পড়েননি মোস্তাফিজ- এমনটাই বিশ্বাস করছেন খালেদ মাহমুদ সুজন। তাই তাকে দেশে ফিরিয়ে আনার কোন ভাবনাই নেই বলে জানালেন তিনি।
সাসেক্সের হয়ে ওয়ানডে ম্যাচে না খেলার কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে সুজন বলেন, ‘এমনও হতে পারে, ফিরে এসে দুই দিন পর খেলতে পারছে। এটা জানা যায়নি ইনজুরির ধরণটা কতটুকু। তবে ও (মোস্তাফিজ) হালকা একটা ব্যাথা অনুভব করছে সেটাই আমি জেনেছি। এ জন্যই আসলে শেষ ম্যাচে খেলেনি। আমাদের ওভাবে প্রেসক্রিপশন করা আছে, যদি হালকা ব্যাথা থাকে তাহলে ওই ব্যাথা নিয়ে খেলবে না।’
এদিকে আজ সোমবার মোস্তাফিজের একজন বিশেষজ্ঞ ডাক্তার দেখানোর কথা রয়েছে। সেখানে তার স্ক্যান অথবা এমআরআই করা হবে বলে জানান খালেদ মাহমুদ। এরপরই নিশ্চিত হতে পারবেন মোস্তাফিজের ইনজুরি সম্পর্কে। তবে ওখান তার ইনজুরির সমস্ত দায়-দায়িত্ব ক্লাব সাসেক্স নিবে বলেও জানান তিনি।
এ প্রসঙ্গে জাতীয় দলের ম্যানেজার বলেন, ‘মোস্তাফিজের ইনজুরির সকল দায়িত্ব ক্লাবই নিবে। কারণ যেহেতু ও চুক্তিবদ্ধ খেলোয়াড়, ইনস্যুরেন্স তো থাকবেই। আর যদি নাও থাকে তাহলে বোর্ড থেকে ওকে সেরা চিকিৎসাটা দিয়ে আনার চেষ্টা করব, যেহেতু ও ওখানে আছে।’

