ঢাকাFriday , 22 July 2016
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

ভারতে জাকির নায়েকের সহযোগী আটক

Link Copied!

Jakirআন্তর্জাতিক ডেস্ক : জঙ্গি গোষ্ঠী ইসলামিক স্টেটের (আইএস) জন্য কর্মী সংগ্রহের অভিযোগে বুধবার বিতর্কিত ইসলামিক নেতা ও বক্তা জাকির নায়েকের এক সহযোগীকে গ্রেপ্তার করেছে মুম্বাই পুলিশ।
আটক ওই ব্যক্তির নাম আরশিদ কুরেশি। তিনি ২০০৪ সাল থেকে জাকির নায়েকের ইসলামিক রিসার্স ফাউন্ডেশনের জনসংযোগ কর্মকর্তা হিসেবে কাজ করছিলেন বলে জানিয়েছে এনডিটিভিসহ বিভিন্ন ভারতীয় সংবাদ মাধ্যমগুলো। এ কাজের জন্য তিনি প্রতি মাসে ৪৪ হাজার রুপি বেতন নিতেন। মহারাষ্ট্রের সন্ত্রাস দমনকারী বিশেষ দল এবং কেরল পুলিশের যৌথ উদ্যোগে বুধবার রাতে তাকে নভি মুম্বই থেকে গ্রেফতার করা হয়। ।
তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে কেরলা রাজ্যের একাধিক যুবক-যুবতীকে ফুঁসলিয়ে আইএসে যোগ দেয়ানোর অভিযোগে। জাকির নায়েকের প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে তার যোগসূত্র প্রমাণিত হলে এটাই হবে এই ফাউন্ডেশনের প্রথম গ্রেফতার।
আরশাদের বিরুদ্ধে গত মাসেই মামলা দায়ের করেছিল কেরলা পুলিশ। বুধবার তাকে মুম্বাইয়ের এক ফ্ল্যাট থেকে আটক করা হয়। বৃহস্পতিবার সকালে তাকে মেজিস্ট্রেটের আদালতে তোলা হয়। এ সময় বিচারক তার চারদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে। রিমান্ড চলাকালে প্রথমে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করবে মুম্বাইয়ের সন্ত্রাস বিরোধী পুলিশ। পরে তাকে কেরলা নিয়ে যাওয়া হবে।
ইতিমধ্যে কেরল থেকে ২১জনের নিখোঁজ তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। তারা আইএসে যোগ দিয়েছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। কেরলা থেকে নিখোঁজদের মধ্যে রয়েছেন মেরিন ওরফে মরিয়ম এবং তার স্বামী বেসটিন। মেরিনের ভাই ইবিন জেকব পুলিশকে জানিয়েছিলেন, বেসটিন এবং কুরেশি তাকে জোর করে ইসলাম ধর্মে ধর্মান্তরিত করতে চেয়েছিলেন। ২০১৪ সালে বেসটিন জোর করে তাকে কেরল থেকে মুম্বই এনে কুরেশির সঙ্গে দেখাও করান। তখন কুরেশি তাকে জাকির নাইকের ফাউন্ডেশনেও ভর্তি হতে বলেন। কিন্তু বিষয়টি পছন্দ না হওয়ায় কেরলে ফিরে আসেন ইবিন। তার অভিযোগের ভিত্তিতেই কেরল পুলিশ কুরেশি এবং বেসটিনের খোঁজ করতে শুরু করে।
বাংলাদেশের অভিজাত এলাকা গুলশনে জঙ্গি হামলার পর বিতর্কিত ইসলামি ধর্ম প্রচারক জাকির নাইকের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপের অভিযোগ ওঠে। শুরু হয় তদন্তও। বন্ধ করে দেওয়া হয় তার পিস টিভি চ্যানেলের সম্প্রচার। গ্রেপ্তারের ভয়ে তিনি এখনও সৌদি আরবেই অবস্থান করছেন।