ঢাকাMonday , 11 July 2016
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

রাজধানী এখনো ফেরেনি চিরচেনা রূপে

Link Copied!

Returnsনিজস্ব প্রতিবেদক : ঈদের ছুটির পর সোমবার দ্বিতীয় কর্মদিবস। এখনো রাজধানী ফিরে পায়নি তার চিরচেনা ব্যস্ত রূপ। রাজধানীর রাজপথে ঈদের আমেজ বিরাজ করছে।
তবে ফাঁকা রাজধানী ধীরে ধীরে পূর্ণ হচ্ছে বাড়ি থেকে ফিরে আসা মানুষের পদচারণায়। লঞ্চ, বাস কিংবা ট্রেন সব যানবাহনেই কর্মজীবী মানুষের উপস্থিতিতে উপচে পড়া ভিড় ছিল।
ঈদের পরের দিন শুক্রবার থেকে ঢাকায় ফিরতে শুরু করেছে লোকজন। আজও সেই ধারা অব্যাহত রয়েছে। লঞ্চঘাট কিংবা বাস টার্মিনাল সব স্থানেই মানুষের ভিড় লক্ষ করা গেছে।
জীবিকার প্রয়োজনে ঢাকা অভিমুখে ছুটে চলেছে মানুষ। তবে সরকারি-বেসরকারি সব অফিস এখনো আগের চেহারায় ফিরতে পারেনি। ট্রাফিক সিগন্যাল ছাড়া এখন কোনো যানবাহনকে রাস্তায় থামতে হচ্ছে না।
সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, নগরীতে ফেরা এসব কর্মজীবীদের সরব উপস্থিতিতে রাজধানীর আগের রূপ পেতে আরো কিছুদিন লাগবে। তবে পুরনো ব্যস্তরূপ দেখে রাজধানীর অনেকেই আক্ষেপ করছেন।
গণমাধ্যম কর্মী তাওহীদ সৌরভ বলেন, ‘ঈদে ঢাকাতেই ছিলাম। মানুষজন ঢাকা ছেড়ে যাওয়ায় এবং বেশিরভাগ দোকানপাট বন্ধ থাকায় কিছুটা সমস্যা ছিল। তবে প্রাণভরে ঘুরতে পেরেছি, কাজ করেছি। কিন্তু ধীরে ধীরে রাজধানী সেই ভয়াবহ যানজটের দিকে ফিরে যাচ্ছে তা চিন্তা করে মন খারাপ হচ্ছে। ফাঁকা ঢাকাকে মিস করব।’
সকালে রাজধানীর ব্যাংকপাড়াখ্যাত মতিঝিল এলাকায় দেখা গেছে, কর্মজীবীরা যে যার মতো কর্মস্থলে ছুটছেন। ফুটপাতের খাবারের দোকনগুলোও বসতে শুরু করেছে। এখনো বিভিন্ন অফিসের সামনে একে অপরকে দেখার পর ঈদ মোবারক বলে বুকে জড়িয়ে ধরছেন। খোঁজ-খবরের পাশাপাশি আনন্দের দিনগুলো শেষ করে আবার সেই যান্ত্রিক জীবনে ফেরার আক্ষেপও শোনা গেছে তাদের আলাপচারিতায়।
ঈদের ছুটি শেষে সোমবার জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) জনসংযোগ কর্মকর্তা সৈয়দ এ মুমেন কাজে যোগ দিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘ঈদে বাড়িতে বাবা-মা, প্রতিবেশী, পুরনো বন্ধুদের সঙ্গে বেশ ভালো সময় কেটেছে। লঞ্চযোগে ঢাকায় ফিরতে বেশ বেগ পেতে হয়েছে। ভয়াবহ ভিড় ছিল।’
তিনি জানান, সকাল থেকেই রাজধানীর প্রতিটি রাস্তায় গাড়ির চাপ ছিল। বেলা বাড়ার সঙ্গেই গণপরিবহনের পাশাপাশি প্রাইভেট কারের সংখ্যাও বাড়তে দেখা গেছে। তবে নগরীর গুরুত্বপূর্ণ প্রতিটি সিগন্যালেই গাড়িগুলো থেমে থাকতে হলেও ভয়াবহ রকমের যানজটে আটকে থাকতে দেখা যায়নি।
সুপ্রভাত পরিবহনের কনডাক্টর রাজু জানান, ঈদের দিন থেকে যাত্রী সংকটে ভুগছি। আগের চেয়ে যাত্রীদের চাপ বাড়লেও গাড়ি এখনো ফাঁকা যাচ্ছে। আগের মতো হতে আরো কিছুদিন লাগবে।
এদিকে সোমবার মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালে ঢাকামুখী মানুষের অতিরিক্ত ভিড় লক্ষ করা গেছে।
এ বিষয়ে বিআইডব্লিটিএ’র যুগ্ম পরিচালক (ট্রাফিক) জয়নাল আবেদিন বলেন, ‘এবারে দীর্ঘ ছুটি থাকায় যাত্রীরা ধীরে ধীরে রাজধানীতে প্রবেশ করছে। তবে গতকালের তুলনায় আজ লঞ্চে মানুষের অতিরিক্ত ভিড় ছিল। আগামী ১২ ও ১৩ জুলাই সব গার্মেন্টস ও কারখানা চালু হবে। ওই দিন সবচেয়ে বেশি ভিড় হবে বলে মনে হচ্ছে।
তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত বিশেষ সার্ভিসসহ ৭৮টি লঞ্চ ঘাটে এসেছে। ঈদের সময় যারা বিভিন্ন প্রয়োজনে রাজধানীতে ছিলেন, তারা এখনো বাড়ি যাচ্ছেন। আজ ঢাকার সদরঘাট থেকে বিভিন্ন গন্তব্যে মোট ৮৫ থেকে ৯০টি লঞ্চ ঘাট ত্যাগ করবে।
রাজধানীর সায়েদাবাদ, মহাখালী ও গাবতলী বাস টার্মিনালেও যাত্রী উপস্থিতি গতকালের চেয়ে বেশি ছিল। প্রতিটি বাস যাত্রী বোঝাই করে টার্মিনালে আসছে। রাজধানীতে যানজট না থাকলেও বাস টার্মিনালে ঘরে ফেরা যাত্রীদের উপস্থিতি বেশ ছিল।