ঢাকাMonday , 11 July 2016
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

সুদানে ‍গোলাগুলিতে দেড় শতাধিক নিহত

Link Copied!

sudanআন্তর্জাতিক ডেস্ক : শুক্রবার দক্ষিণ সুদানের রাজধানী জুবায় সরকার এবং বিরোধীপক্ষের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনায় উভয় পক্ষের দেড় শতাধিক সমর্থক নিহত হয়েছে। মৃতের সংখ্যা আরো বাড়তে পারে। প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে এ খবর জানিয়েছে বিবিসি।
দেশটির ফার্স্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট ও সাবেক গেরিলা নেতা রেইক মাচারের এক মুখপাত্র সংবাদ মাধ্যমকে বলেছেন, দক্ষিণ সুদানে ফের যুদ্ধাবস্থা বিরাজ করছে।
শুক্রবার সন্ধ্যায় প্রেসিডেন্ট সালভা কির তার প্রাসাদে ভাইস প্রেসিডেন্ট রেইক মাচারের সঙ্গে বৈঠকে বসেন। বৈঠকের কিছুক্ষণের মধ্যে দু’নেতার দেহরক্ষীদের মধ্যে বন্দুকযুদ্ধ শুরু হয়। তার সূত্র ধরে দেশটির রাজধানীজুরে বন্দুকযুদ্ধ ছড়িয়ে পড়ে।
ভাইস প্রেসিডেন্টের অনুগত সেনা কর্মকর্তা কর্নেল উইলিয়াম গাতজিয়াথ বলেছেন, রাজধানী জুরায় তাদের সব সেনা অবস্থানের উপর সরকারের অনুগত বাহিনী আক্রমন চালিয়েছে। ওই মুখপাত্র আরো জানান, প্রেসিডেন্ট সালবা কির শান্তি আলোচনায় আগ্রহী নন। শান্তি আলোচনা নিয়ে তার আহ্বানে সাড়া দিচ্ছে না সরকার।
মুখপাত্র কর্নেল উইলিয়াম গাতজিয়াথ বলেন, রোববার (১০ জুলাই) শত শত সৈন্য নিহত হয়েছে, রেইক মাচারের সমর্থক সৈন্যরা রাজধানী জুবেলের দিকে এগুচ্ছে।
জাতিসংঘ প্রতিনিধিরা জানিয়েছে, দক্ষিণ সুদানের রাজধানী জুবেলে অবস্থিত তাদের প্রধান কার্যালয়ের কাছাকাছি ব্যাপক গোলাগুলি চলছে।
জুবেল কার্যালয়ে অবস্থানকারী জাতিসংঘের এক কর্মকর্তা রোববার বিকেলে এক টুইট বার্তায় গোলাগুলি চলছে বিরামহীনভাবে।
উল্লেখ্য, শুক্রবার দু’পক্ষের মধ্যে বন্দুকযুদ্ধে হতাহতের সংখ্যা দেড়’শ ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। নিহতদের মধ্যে অধিকাংশই সৈনিক বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে। শনিবার কিছুটা শান্ত থাকলেও রোববার তা আবারো শুরু হয়।
গৃহযুদ্ধের অবসানে ২০১৫ সালে দুই পক্ষের মধ্যে একটি শান্তিচুক্তি হলেও তাতে শান্তি আসেনি। উভয় পক্ষই নিজ নিজ সমর্থকদের শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়েছে। দক্ষিণ সুদানের পঞ্চম স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে এ বন্দুকযুদ্ধের পর শনিবার রাস্তাঘাট অনেকটা শান্ত ছিল।
গৃহযুদ্ধের আশঙ্কায় আইএমএফের মত আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংস্থা দক্ষিণ সুদানের রাজধানী জুবা থেকে তাদের কর্মীদের সরিয়ে নিতে শুরু করেছে।