আন্তর্জাতিক ডেস্ক : যুক্তরাষ্ট্রে দুই কৃষ্ণাঙ্গকে হত্যার প্রতিবাদে টানা তিনদিন ধরে দেশটিতে বিক্ষোভ চলছে। রোববার রাত পর্যন্ত আড়াই শতাধিক বিক্ষোভকারীকে আটক করেছে পুলিশ। যুক্তরাষ্ট্রের ডালাসে বন্দুকধারীর হামলায় আরো এক পুলিশ কর্মকর্তা নিহত হওয়ার খবর পাওয়াগেছে।
পুলিশের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের সংঘর্ষের পর আড়াই শতাধিক বিক্ষোভকারীকে আটক করা হয়েছে। বিক্ষোভের প্রথম দিন বৃহস্পতিবার রাতে ডালাসে বিক্ষোভ চলাকালে কৃষ্ণাঙ্গ এক বন্দুকধারীর গুলিতে পাঁচ পুলিশ কর্মকর্তা নিহত এবং আরও সাতজন আহত হয়।
ওই ঘটনার পর বিক্ষোভকারীরা নিউইয়র্ক সিটি ও ওয়াশিংটন ডিসি-র মত বড় বড় মেট্রোপলিটন শহরগুলোতে বিক্ষোভ করা শুরু করে। মঙ্গলবার লুইজিয়ানার ব্যাটন রুজে অ্যাল্টন স্টের্লিং (৩৭ ) নামে এক ব্যাক্তিকে গুলি করে হত্যা করে পুলিশ। পরদিন রাতে মিনেসোটার শহরতলী সেন্ট পলে পুলিশের গুলিতে গুরুতর আহত ফিলান্ডো ক্যাস্টিল (৩২) নামে আর এক ব্যাক্তি হাসপাতালে মারা যান।
শনিবার সন্ধ্যায় বিক্ষোভকারীরা টুইন সিটির প্রধান সড়ক অবরোধ করলে সেখানে ব্যাপক যানজটের সৃষ্টি হয়। বিক্ষোভকারীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে পাথর, পানির বোতল ও ইটের টুকরা ছুঁড়ে মারে। সেন্ট পল পুলিশ জানায়, এতে অন্তত তিন পুলিশ কর্মকর্তা আহত হয়েছেন। বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ ধোঁয়া বোমা ও রাবার বুলেট ব্যবহার ছোঁড়ে। এসময় অনেক বিক্ষোভকারীকে আটক করা হয়েছে বলেও পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়।
এদিকে ব্যাটন রুজে ব্ল্যাক প্যান্থার কর্মীদের সঙ্গে দাঙ্গা পুলিশের হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। বিক্ষোভকারীদের অনেকের হাতে শটগান ছিল বলে জানায় পুলিশ। উল্লেখ্য যে, লুইজিয়ানায় প্রকাশ্যে আগ্নেয়াস্ত্র বহন বৈধ। সন্ধ্যায় ওই ঘটনার পর পুলিশ ৩০ জন ব্ল্যাক প্যান্থারকর্মীকে অস্ত্রসহ আটক করে। আটককৃতদের মধ্যে বাল্টিমোরের সাবেক মেয়র প্রার্থী ডেরে ম্যাককেসনও রয়েছেন।

