বিনোদন ডেস্ক : ছোটপর্দায় তরুণদের চাহিদা এখন তুঙ্গে। বিশেষ করে সাবিলা নূরের ব্যস্ততা দিনদিন বাড়ছে। ঈদকে সামনে রেখে প্রতিষ্ঠিতশিল্পীদের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে কাজ করছেন তিনি। এই ব্যস্ততাকে বরাবরই নতুন চোখে উপভাগ করছেন তিনি। তবে টানা কাজের চাপে কিছুটা ক্লান্তিও চেপেছে তার। সে কারণেই জুলাই থেকে ঈদ পর্যন্ত কাজ করবেন না তিনি।
এমনটাই জানালেন তিনি, ‘সত্যি বলতে বোরিং ফিল হচ্ছে না। কারণ প্রত্যেকটি চরিত্রই আলাদা। প্রত্যেক চরিত্রই নিজেকে নতুন ভাবে আবিস্কার করছি। কাজগুলো না করলে অনেক কিছুই আমার অজানা থাকতো। তবে এটা সত্য আমি খুব ক্লান্ত। একটু জুন মাসই কাজ করবো। জুলাই শুরু হলেই ঈদ পর্যন্ত আপাতত কোন কাজ করবো না।’
মে থেকে টানা শুটিং করছেন সাবিলা নূর। জুন জুড়ে শুটিংয়ের উপরেই আছেন। একটা একটা করতে করতে এগারোটি নাটকের কাজ করে ফেলেছেন ইতিমধ্যে। একসঙ্গে এতো কাজ জীবনেও করেননি তিনি। ঈদকে সামনে রেখেই তার এই খাটাখাটুনি। বরাবরের মতোই সেরাটা দিয়ে নিজের চরিত্রটাকে ফুটিয়ে তোলার চেষ্টার করেছেন।
এগারোটি নাটকে এবার এগারো চরিত্রে হাজির হচ্ছেন তিনি। একই সাবিলা কখনো পুরান ঢাকার মেয়ে, কখনো ঢঙ্গী, কখনো ঘরপালানো মেয়ে, কখনো প্যারাদায়ক প্রেমিকার চরিত্রে অভিনয় করছেন। এর মধ্যে ইফতেখার আহমেদ অসিনের ‘পলায়ন বিদ্যা’ নাটকে বিয়ের আসর থেকে পালিয়ে যাওয়া এক তরুণীর চরিত্রে অভিনয় করছেন তিনি। এতে তার বিপরীতে অভিনয় করেছেন জোভান। মনিরুজ্জামান রিপনের ‘যেমন খুশি তেমন সাজো’তে থাকছেন পুরান ঢাকার মেয়ের চরিত্রে। এতে তার বিপরীতে থাকছেন মিশু সাব্বির।
ইশতিয়াক আহমেদ রুমেলের ‘যা কিছু ঘটে’ শিরোনামে একটি নাটকে তার সঙ্গে আছেন তৌসিফ ও অ্যালেন শুভ্র। নাটকে কনজার্ভেটিভ ফ্যামিলির এক তরুণীর চরিত্রে অভিনয় করেছেন সাবিলা। তার বিপরীতে আছেন সালমান মুক্তাদির। মাসুদ সেজানের সাত পর্বের ধারাবাহিক ‘লাভ এন্ড কোং’ নাটকে অভিনয় করেছেন একজন প্যারাদায়ক প্রেমিকার চরিত্রে। হিমেল আশরাফের ‘জোনাকির আলো’ নাটকে থাকছেন লাজুক চরিতে। এতে তার বিপরীতে অভিনয় করেছেন জোভান। একই নির্মাতার ‘মি. পাষান ইজ ব্যাক’ নাটকে তাকে দেখা যাবে সালাহউদ্দিন লাভলুর বিপরীতে। এই ঈদের চমক হৃদয় খানের সাথে দেখা যাবে তন্ময় তানসেনের নাটকে।
এছাড়া, মাহফুজ আহমেদের নির্মানে আরও দুটো নাটকে অভিনয়ের বাকি আছে সাবিলার। ঈদে টিভি চ্যানেল খুললেই সাবিলাকে চোখে পড়ে যেতে পারে যে কোন সময়।

