ঢাকাTuesday , 21 June 2016
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

বগুড়ার আদমদিঘীতে ঘরে ঘরে কাচের শিশির কারখানা

Link Copied!

bograবগুড়া প্রতিনিধি : আদমদিঘী উপজেলার কয়েকটি গ্রামের ঘরে ঘরে গড়ে উঠেছে কাচের শিশি তৈরির কারখানা। কয়েক দশক ধরে শিশি তৈরির কারণে গ্রামগুলো এখন পরিচিতি পেয়েছে শিশিপল্লি হিসেবে।
মূলত হোমিও ওষুধ এবং আতর বাজারজাতকরণের কাজে ব্যবহৃত কাচের এ শিশি তৈরি করেই জীবিকা নির্বাহ করছেন অন্তত ৫ হাজার নারী-পুরুষ। স্বল্প পুঁজি আর কম পরিশ্রমে ঘরে বসেই বাড়তি উপার্জনের সুযোগ থাকায় ওই শিল্পটি ক্রমেই জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। পাশাপাশি প্লাস্টিকের তৈরি ছোট বোতলের আমদানি বেড়ে যাওয়ায় শিশিপল্লির কারিগরদের মধ্যে বাজার হারানোর শঙ্কাও রয়েছে।
গ্রামের নাম ডুমুরি গ্রাম। বগুড়া শহর থেকে প্রায় ৪০ কিলোমিটার দূরে আদমদীঘি উপজেলার এ গ্রাম। আর দশটি গ্রামের মতোই ছিমছাম। কিন্তু মানুষগুলো যেন ব্যতিক্রম। কারণ এ গ্রামে কর্মহীন বা বেকার মানুষ খুঁজে পাওয়া ভার। প্রত্যন্ত ওই গ্রামের ঘরে ঘরে গড়ে তোলা হয়েছে হোমিও ওষুধ এবং আতরের শিশি তৈরির কারখানা। ঢাকার কাঁচপুর থেকে সংগ্রহ করা কাচের লম্বা টিউব আগুনে গলিয়ে নানা সাইজের শিশি তৈরি করা হচ্ছে। উৎপাদিত এসব কাচের শিশি বিক্রি হচ্ছে দেশের উত্তর ও দক্ষিণাঞ্চলের জেলাগুলোতে। এতে স্বাবলম্বী হয়েছেন অনেকে। তাদের দেখাদেখি পাশের গ্রামগুলোতেও শিশি তৈরি শুরু হয়েছে। ফলে গ্রামগুলো পরিচিত পেয়েছে শিশিপল্লি হিসেবে।
স্থানীয়রা জানায়, প্রায় তিন দশক আগে ডুমুরি গ্রামে যখন শিশি তৈরি শুরু হয় তখন শুধু পুরুষরাই এ কাজে সম্পৃক্ত ছিলেন। তবে ঘরে বসেই আয় করা যায় বলে সংসারে কাজের ফাঁকে এখন নারীরাও শিশি তৈরিতে ঝুঁকে পড়েছেন।
উদ্যোক্তরা জানান, সম্প্রতি কাঁচামলের মূল্য বৃদ্ধির পাশাপাশি বাজারে প্লাস্টিকের তৈরি শিশি-বোতলের আমদানিও বেড়ে গেছে। এতে তাদের উৎপাদিত কাচের শিশি প্রতিযোগিতায় টিকতে পারছে না। এ অবস্থায় কেবল সরকারি ঋণ সহায়তাই পারে শিল্পটিকে টিকে রাখতে।
আদমদিঘী গ্লাস ফ্যাক্টরি অ্যাসোসিয়েশনের উপদেষ্টা সোলায়মান আলী জানান, শিশিপল্লি নামে পরিচিত ডুমরীগ্রাম ও তার আশেপাশে ছোট-বড় শতাধিক কারখানা রয়েছে। যাতে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে অন্তত ৫ হাজার নারী-পুরুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ হয়েছে। এসব কারখানায় প্রতি মাসে কোটি টাকারও বেশি শিশি উৎপাদিত হয়।