ঢাকাTuesday , 21 June 2016
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

বেসরকারিখাতে ১৩ কোটি ডলার দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক

Link Copied!

world-bank-1নিউজ ডেস্ক : বেসরকারিখাত উন্নয়নে আরো ১৩ কোটি (১৩০ মিলিয়ন) মার্কিন ডলার দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক। এ লক্ষ্যে সংস্থাটির সঙ্গে বাংলাদেশ সরকারের একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।
রোববার রাজধানীর শেরে বাংলা নগরের পরিকল্পনা কমিশনে এ চুক্তি স্বাক্ষর হয়। বাংলাদেশের পক্ষে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের অতিরিক্ত সচিব কাজী শফিকুল আযম ও বিশ্বব্যাংকের পক্ষে সংস্থাটির ভারপ্রাপ্ত কান্ট্রি ডিরেক্টর রাজশ্রী এস পারালকার চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।
চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে জানানো হয়, চলমান ‘প্রাইভেট সেক্টর ডেভেলপমেন্ট সাপোর্ট প্রজেক্ট (পিএসডিএসপি)’ গুচ্ছ প্রকল্প বিশ্বব্যাংক ও যুক্তরাজ্যের উন্নয়ন সংস্থা ডিপার্টমেন্ট ফর ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্টের (ডিএফআইডি) অর্থায়নে বাস্তবায়ন হচ্ছে। এ প্রকল্পে অর্থায়নের লক্ষ্যে বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে ইতোপূর্বে যথাক্রমে ২০১১ সালের ২২ মে ১২০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের ঋণ চুক্তি ও ২০১১ সালের ৮ জুলাই ১৭ দশমিক ৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের অনুদান চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। নতুন করে চলমান এ প্রকল্পের অতিরিক্ত অর্থায়ন হিসাবে ১৩ কোটি ডলারের ঋণ চুক্তি করলো সরকার। গুচ্ছ প্রকল্পটি জুলাই ২০১১ হতে বাস্তবায়নাধীন আছে।
জানা গেছে, লাইসেন্সপ্রাপ্ত ইকোনমিক জোনগুলো এবং নতুন ইকোনমিক জোনগুলোর সার্বিক উন্নয়নে সহায়তা বৃদ্ধিসহ এগুলো উন্নয়ন সুফলদায়ক করার জন্য অতিরিক্ত অর্থায়নে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণ করা হবে। প্রকল্পের উদ্দেশ্য হলো বেসরকারি বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে সহায়তা করা।
এছাড়া, ইকোনমিক জোনগুলো আন্তর্জাতিক মানদণ্ড, বিল্ডিং কোড, সামাজিক ও পরিবেশগত মান বৃদ্ধির মাধ্যমে কমপ্লায়েন্স ব্যবস্থার উন্নয়ন সাধন করা। নির্দিষ্টভাবে এর আওতায় নতুন ইকোনমিক জোনগুলো উৎপাদনমুখী করা এবং বেসরকারি ইকোনমিক জোন তৈরির লক্ষ্যে সক্ষমতার উন্নয়ন, জোন-সংশ্লিষ্ট অবকাঠামো নির্মাণ এবং চাহিদা তাড়িত দক্ষতা বৃদ্ধি ও জোনগুলোর সামাজিক ও পরিবেশগত স্ট্যান্ডার্ড নিশ্চিত করা হবে। অতিরিক্ত অর্থায়নে গুচ্ছ প্রকল্পটি জুলাই ২০১৬ থেকে ২০২১ সালের মধ্যে বাস্তবায়িত হবে।
অতিরিক্ত অর্থায়নে বাস্তবায়িত প্রকল্পটির মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ১৩৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। তার মধ্যে বিশ্বব্যাংক ১৩০ মার্কিন ডলার দেবে এবং অবশিষ্ট ৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বাংলাদেশ সরকার কাউন্টারপার্ট ফান্ড হিসেবে দেবে। বিশ্বব্যাংকের অতিরিক্ত অর্থায়নের বরাদ্দ প্রকল্পের মধ্যে আছে বাংলাদেশ ইকোনমিক জোন অথরিটি (বেজা)-১০৭ দশমিক ১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, বাংলাদেশ এক্সপোর্ট প্রসেসিং জোন অথরটি (বেপজা) ৩ দশমিক ৪৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, হাইটেক পার্ক-১৭ দশমিক ৪৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ও ইআরডি ১ দশমিক ৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার এবং অবশিষ্ট শূন্য দশমিক ৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার সার্বিক পুনর্বাসন কার্যক্রমে ব্যয় হবে।