নিজস্ব প্রতিবেদক : কম দামে প্রায় ৫০ লাখ নিম্নআয়ের মানুষকে খাদ্য সহায়তা প্রদানের পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন খাদ্যমন্ত্রী এ্যাডভোকেট মো. কামরুল ইসলাম।
সোমবার (২০ জুন) জাতীয় সংসদে সামশুল হক চৌধুরী (চট্টগ্রাম-১২) উত্থাপিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান। এর আগে সকাল সোয়া ১১ টায় স্পিকার ড. শিরীন শারমীন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সংসদের বৈঠক শুরু হয়।
তিনি বলেন, ‘কাবিখাসহ অন্যান্য সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিতে খাদ্যশস্য বরাদ্দ কমে যাওয়ায় খাদ্য নিষ্পত্তির বিকল্প কর্মসূচি হিসেবে সুলভ মূল্যে কার্ডের মাধ্যমে কম দামে প্রায় ৫০ লাখ নিম্নআয়ের জনগোষ্ঠীকে খাদ্য সহায়তা প্রদানের বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে। ২০১৬-১৭ অর্থবছর থেকে এ কর্মসূচি বাস্তবায়নের পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে।’
গোলাম মোস্তাফা বিশ্বাসের (চাপাইনবাবগঞ্জ-২) এক প্রশ্নের জবাবে খাদ্যমন্ত্রী বলেন, ‘কৃষিবান্ধব সরকার সকল প্রকার কৃষি উৎপাদন বিশেষত দানাশস্য উৎপাদনে নানামুখী কার্যকর উদ্যোগ বাস্তবায়নের ফলে দেশ চাল উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করেছে। ফলে ২০১২ সালের পর থেকে সরকার বিদেশ থেকে কোনো চাল আমদানি করেনি। প্রাইাভেট সেক্টর বিদেশ থেকে চাল আমদানি করলেও তা বিনা শুল্কে নয় বরং বিদ্যমান নীতিমালার ২০ শতাংশ আমদানিশুল্ক প্রদান করে চাল আমদানি করে থাকে। শুল্ক আরোপের ফলে প্রাইভেট সেক্টরের ব্যবসায়ীরাও ২০১৫ সালে ডিসেম্বরের পর কোনো চাল আমদানি করেনি।’
কামরুল ইসলাম বলেন, ‘বিদেশ থেকে চাল আমদানি নিরুৎসাহিত করার জন্য চলতি বাজেটে (২০১৬-১৭) চাল আমদানির উপর ৩০ শতাংশ আমদানি শুল্কের প্রস্তাব করা হয়েছে। এ বাজেট প্রস্তাব পাশ হলে চাল আমদানি আরও নিরুৎসাহিত হবে বলে আশা করি।

