নিজস্ব প্রতিবেদক : দেশে বর্তমানে ১৮টি রাষ্ট্রায়ত্ত বস্ত্রকল রয়েছে। এর মধ্যে পূর্ণাঙ্গ চালু আছে ৫টি কল। বন্ধ হয়ে আছে ৯টি। এছাড়াও নতুন করে খুলনা টেক্সটাইল মিল ও চিত্তরঞ্জন মিল স্থাপনের কাজ প্রক্রিয়াধীন আছে।
আজ শনিবার (১৮ জুন) জাতীয় সংসদে বেগম হাজেরা খাতুনের (মহিলা আসন-১১) উত্থাপিত প্রশ্নের জবাবে বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী মুহাম্মদ ইমাজ উদ্দিন প্রামাণিক এ কথা জানান। এর আগে সকাল ১০ টা ৪৫ মিনিটে ডেপুটি স্পিকার মো. ফজলে রাব্বী মিয়ার সভাপতিত্বে সংসদের বৈঠক শুরু হয়।
তিনি জানান, বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস কর্পোরেশেনের নিয়ন্ত্রণাধীন বর্তমানে ১৮টি মিলের মধ্যে পাঁচটি পূর্ণাঙ্গভাবে চালু রয়েছে। বন্ধ রয়েছে ৯টি মিল। বেংগল টেক্সটাইল মিলস ও আমিন টেক্সটাইলসের কার্যক্রম আংশিক চালু ও আংশিক বন্ধ আছে। এছাড়াও খুলনা টেক্সটাইল মিলস ও চিত্তরঞ্জন মিলস স্থাপনের কাজ প্রক্রিয়াধীন আছে।
২০০১-২০০২ অর্থবছর থেকে ২০১৪-২০১৫ অর্থবছর পর্যন্ত বস্ত্রকলগুলো ৭৮২০৯.৩৪ লক্ষ টাকা লোকসান করেছে বলেও জানান তিনি।
এস এম আবুল কালাম আজাদের (ঢাকা-১৭) উত্থাপিত প্রশ্নের জবাবে বস্ত্রমন্ত্রী বলেন, ‘দেশের পোশাক শিল্পের উন্নয়নে সরকার বস্ত্র আইন, ২০১৬ ও বস্ত্রনীতি ২০১৪ প্রণয়েনর এবং বস্ত্র অধিদপ্তরকে অধিদপ্তরে উন্নীত করার কাজ বাস্তবায়নাধীন আছে। এছাড়াও সরকার দেশব্যাপী ১০০ ইকোনমিক জোট সৃষ্টির পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।’
তিনি জানান, দেশে বস্ত্র শিল্পে ফ্লোর লেবেল থেকে নির্বাহী পর্যায় পর্যন্ত চাহিদা মোতাবেক দক্ষ জনবল সৃষ্টির লক্ষ্যে বস্ত্র অধিদপ্তরের নিয়ন্ত্রণে ছয়টি বিএসসি ইন টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ চালু রয়েছে ও চারটি বাস্তবায়নাধীন আছে। ডিপ্লোমা ইন টেক্সটাইল ইনস্টিটিউট চালু রয়েছে ছয়টি ও বাস্তবায়নাধীন আছে পাঁচটি। এছাড়াও ৪০টি টেক্সটাইল ভোকেশনাল ইনস্টিটিউট বিদ্যমান রয়েছে ও ১৩টি প্রক্রিয়াধীন আছে।

