ঢাকাFriday , 3 June 2016
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

পরিবেশ রক্ষায় ১ হাজার সাড়ে ৩৩ কোটি টাকা

Link Copied!

polutionনিজস্ব প্রতিবেদক : জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলা ও পরিবেশ সংরক্ষণে ২০১৬-১৭ অর্থবছরে পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের জন্য ১ হাজার ৩৩ কোটি ৫০ লাখ টাকার বাজেট বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে।
প্রস্তাবিত বরাদ্দের ৬১৯ কোটি টাকা অনুন্নয়ন ও ৪১৪ কোটি ৫০ লাখ টাকা উন্নয়ন খাতে বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।
এ বরাদ্দ গত অর্থবছরের সংশোধিত বাজেট ৯৮৩ কোটি ৭৭ লাখ ১৫ হাজার টাকার চেয়ে ৪৯ কোটি ৭২ লাখ ৮৫ হাজার টাকা বেশি।
অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে উপস্থাপিত জাতীয় বাজেটে এ প্রস্তাব করেন।
অর্থমন্ত্রী তার বাজেট বক্তৃতায় বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ঝুঁকি মোকাবেলার লক্ষ্যে সরকার ইতোমধ্যে রোডম্যাপ ফর ন্যাশনাল অ্যাডাপ্টেশন প্ল্যান (এনএডি) প্রণয়ন করেছে। এছাড়া রোডম্যাপ ফর ন্যাশনালিটি অ্যাপ্রোপ্রিয়েট মিটিগেশন অ্যাকশন (এনএএমএ) এবং থার্ড ন্যাশনাল কমিউনিকেশন (টিএনসি) প্রণয়নের কাজ চলছে।
তিনি বলেন, এসব কর্ম-পরিকল্পনার মাধ্যমেই জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ঝুঁকি মোকাবেলায় সরকার অভিযোজন ও প্রশমন সংক্রান্ত কার্যক্রম গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করবে। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক পর্যায়েও সরকারের বলিষ্ঠ ভূমিকা অব্যাহত থাকবে।
জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের কথা উল্লেখ করে মুহিত বলেন, প্রতিবেশি ভারত, নেপাল ও ভুটানকে নিয়ে আঞ্চলিক সহযোগিতার আওতায় অবৈধ বন্যপ্রাণী শিকার ও পাচার রোধে একটি প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এছাড়া বরেন্দ্র ও হাকালুকি হাওর এলাকার প্রতিবেশভিত্তিক অভিযোজনের জন্য নতুন উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে।
তিনি বলেন, জীববৈচিত্র্য রক্ষায় ‘বাংলাদেশ জীববৈচিত্র্য আইন’ এর খসড়া প্রণয়ন করা হয়েছে। আগামী অর্থবছরে এ আইন চূড়ান্ত করা হবে।
বনায়ন ও বনভূমি সংরক্ষণের তাগিদ দিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, বিশ্বব্যাপী জলবায়ু পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে উৎপাদন ও সংরক্ষণমুখী বন ব্যবস্থাপনা কৌশল গ্রহণ করা হয়েছে। উপকূলে জেগে ওঠা চর বনায়নের মাধ্যমে আগামী ৫ বছরে ৫শ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে সবুজ বেষ্টনি স্থাপনের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।
তিনি বলেন, একই সময়ে দেশের স্থলভাগের প্রায় ৫ শতাংশ এবং উপকূলীয় ও সামুদ্রিক এলাকার ৭ শতাংশ সংরক্ষিত এলাকা অর্ন্তভুক্ত করার মাধ্যমে আইচি লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।