নিজস্ব প্রতিবেদক : শুধু টেরোরিজম নিয়ে কাজ করলেই চলবে না, টেরোরিজমের পেছনে কারা অর্থের যোগান দেয় কিংবা নেপথ্যে থেকে মদদদাতা হিসেবে কাজ করে তাদের শনাক্ত করে তাদের সংশ্লিষ্টতাসহ অন্যান্য কারণগুলো খুঁজে বের করে আনতে হবে বলে জানিয়েছেন ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ (আইজিপি) এ কে এম শহীদুল হক। বৃহস্পতিবার (২৬ মে) রাজধানীর রাজারবাগ পুলিশ লাইন্স টেলিকম অডিটোরিয়ামে ‘টেরোরিস্ট থ্রেট অ্যান্ড রেসপন্স’ বিষয়ক কর্মশলার সমাপনী অনুষ্ঠানে আইজিপি এ মন্তব্য করেন। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) ও সিঙ্গাপুরের ইন্টারন্যাশনার সেন্টার ফোর পলিটিক্যাল ভায়োলেন্স অ্যান্ড টেরোরিজম রিসার্জ (আইসিপিবিটিআর) যৌথভাবে কর্মশালার আয়োজন করে।
প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারী ৫৬ কর্মকর্তার হাতে সনদ তুলে দেয়ার পর কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটকে (সিটি) ধন্যবাদ জানিয়ে আইজিপি বলেন, ‘বিশেষায়িত এই ইউনিটটি টেরোরিজম নিয়ে কাজ করবে। ইতোমধ্যে এ সংক্রান্ত একটি প্রস্তাব সংসদেরও পাঠানো হয়েছে। সরকার প্রধানও এই ইউনিটটির ব্যপারে আগ্রহী।’
কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ‘কর্মশলা থেকে প্রাপ্ত জ্ঞানটা যদি তোমরা জঙ্গি দমনে কাজে লাগাও, তাহলে দেশ ও দেশবাসী উপকৃত হবে। আরেকটা কথা মনে রাখবে, শুধু টেরোরিস্টদের নিয়ে কাজ করলেই চলবে না। কেন তারা টেরোরিজমে এলো, কারা তাদের উৎসাহ দিচ্ছে এগুলো নিয়েও তোমাদের কাজ করতে হবে।’
তিনি আরো বলেন, ‘ভালো ভালো অফিসারদের সম্বন্বয়ে সিটি ইউনিটটি তৈরি করা হয়েছে। তদন্তের পাশাপাশি এসব অফিসাররা জঙ্গি দমনে কাজ করবে।’
কর্মশালা প্রসঙ্গে আইজিপি বলেন, ‘প্রফেশনাল জ্ঞান ছাড়া বিশেষায়িত এসব ইউনিটে ভালো কিছু করা যায় না। তাই এ ধরনের কর্মশলার আয়োজন করা হয়েছে।’
অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন- ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার শাহাবুদ্দিন কোরায়েশি। এতে উপস্থিত ছিলেন সিটির প্রধান মনিরুল ইসলামসহ অনান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

