ঢাকাThursday , 19 May 2016
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

পাক কোম্পানির প্রতি পক্ষপাতিত্ব, গুদামের খাদ্য হুমকিতে!

Link Copied!

gudamনিউজ ডেস্ক : ঠিক সময়ে পোকা নিধনের ওষুধ “প্রিমিফস মিথাইল” কিনতে না পারায় দেশের বিভিন্ন খাদ্য গুদামের খাদ্য নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। যোগ্যতা না থাকা সত্ত্বেও পাকিস্তানি একটি কোম্পানির মাধ্যমে ওই ওষুধ কিনতে বারবার দরপত্র আহ্বান করায় এই আশঙ্কার সৃষ্টি হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
বুধবার (১৮ মে) খাদ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির কাছে এই অভিযোগ করেছে নাগরিক সংগঠন সিটিজেন রাইটস মুভমেন্ট।
অভিযোগে বলা হয়েছে, খাদ্য অধিদপ্তর ১২ হাজার লিটার প্রিমিফস মিথাইল ওষুধ ক্রয়ের জন্য দরপত্র আহ্বান করার পর টেকনিক্যাল কমিটি রেসপনসিভ সর্বনিম্ন দরদাতা প্রতিষ্ঠানকে ওষুধ সরবরাহের কার্যাদেশ দেয়ার সুপারিশ করে। কিন্তু পাকিস্তাইন কোম্পানি নোকন-এর প্রয়োজনীয় যোগ্যতা না থাকায় দুই দফা দরপত্র বাতিল করা হয়। ওই অযোগ্য প্রতিষ্ঠানকে কার্যাদেশ দিতেই সরকারি ক্রয় বিধি লঙ্ঘন করে দুই দফা দরপত্র বাতিল করে তৃতীয় দফায় দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে।
অভিযোগে আরো বলা হয়েছে, সামসুজ্জামান নামে এক ভিআইপি’র ভাই প্রভাববিস্তার করে পাকিস্তানি কোম্পানিকে কাজ পাইয়ে দিতে তৎপরতা অব্যাহত রেখেছে। আর দুই দফা দরপত্র বাতিল হওয়ায় খাদ্যে পোকা ঠেকাতে ওষুধ ক্রয়ের প্রক্রিয়া প্রায় পাঁচ মাস দেরি হয়েছে। এ কারণে দেশের অনেক গুদামে ইতিমধ্যে পোকার আক্রমণ শুরু হয়েছে। যা দেশের খাদ্য নিরাপত্তার জন্য হুমকি। অন্যদিকে দেশে খাদ্য সংকটের আশঙ্কা সৃষ্টি হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, খাদ্য অধিদপ্তর খাদ্যগুদামে পোকা নিধনের জন্য প্রতিবছর প্রায় ১৫ মেট্রিক টন অ্যালুমিনিয়াম ফসফেট ট্যাবলেট ও ১২ হাজার লিটার প্রিমিফস মিথাইল ওষুধ ক্রয় করে থাকে। ওষুধ সময়মত না কিনতে পারলে লাখ লাখ মেট্রিক টন খাদ্য পোকায় খেয়ে নষ্ট করে।
ওষুধ সরবরাহ করে থাকে পাকিস্তানি কোম্পানি নোকনসহ দেশি-বিদেশি আরো কয়েকটি কোম্পানি। কিন্তু নোকন-এর বিরুদ্ধে জঙ্গি পৃষ্ঠপোষকতার অভিযোগ তুলে গোয়েন্দা সংস্থার বরাত দিয়ে কয়েকটি জাতীয় দৈনিকে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। যে কারণে ওই কোম্পানিকে কার্যাদেশ দেয়ার পরিবর্তে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয়েছে সংসদীয় কমিটির কাছে আনা লিখিত অভিযোগে।