ঢাকাWednesday , 18 May 2016
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

ওষুধ শিল্পবান্ধব বাজেট চাই

Link Copied!

medicineনিউজ ডেস্ক : আসছে বাজেটে ওষুধ রপ্তানির গতি আরো ত্বরান্বিত করতে কাঁচামাল আমদানিতে শুল্ক ও ভ্যাট কমানো এবং তরুণ উদ্যোক্তাদের সম্পৃক্ত করেই একটি সমৃদ্ধশালী শিল্পবান্ধব বাজেট প্রণয়নের দাবি জানিয়েছেন এলবিয়ন গ্রুপের চেয়ারম্যান রাইসুল উদ্দিন সৈকত। এছাড়াও জাতীয় বাজেট ঘোষণায় চট্টগ্রামের জন্য আলাদা বাজেট বরাদ্ধ দেয়ার দাবি জানিয়েছেন তিনি।
রাইসুল উদ্দিন সৈকত বলেছেন, ‘আগামী ২ জুন জাতীয় সংসদে ২০১৬-২০১৭ অর্থবছরের বাজেট ঘোষণা করা হবে। আসছে অর্থবছরের বাজেটের আকার হবে ৩ লাখ ৪০ হাজার কোটি টাকা। বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) আকার হবে ১ লাখ ২০ হাজার কোটি টাকা। ৭ শতাংশের বেশি মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি প্রাক্কলন করা হয়েছে। ওষুধ উৎপাদন শিল্পে মূল্য সংযোজন কর ও উৎসে করের পাশাপাশি কাঁচামাল আমদানিতে সরকারকে ২৫ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক দিতে হয়।’
‘আর এ শিল্পের যন্ত্রাংশ আমদানিতে সরকারকে পাঁচ থেকে ৩০ শতাংশ শুল্ক দিতে হয়। এতে করে এ শিল্পের বিকাশ বাধাগ্রস্থ হচ্ছে। তাই আসছে বাজেটে ওষুধ রপ্তানির গতি আরো ত্বরান্বিত করতে কাঁচামাল আমদানিতে শুল্ক ও ভ্যাট কমানোর প্রস্তাব করা হচ্ছে।’
তিনি আরো বলেন, ‘দেশের চাহিদা মিটিয়ে বর্তমানে বিশ্বের ৫০টির অধিক দেশে বাংলাদেশের ওষুধ রপ্তানি হয়। ওষুধ শিল্প দেশের অর্থনীতিতে বিরাট ভুমিকা রাখলেও এর অধিকাংশ কাঁচামাল দেশের বাহিরে থেকে আমদানি করতে হয়। শুধু তাই নয়, দেশের মোট চাহিদার ৯৮ শতাংশ ওষুধ আমাদের দেশের শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলোই উৎপাদন করে। তাই এই শিল্পের কাঁচামাল ও যন্ত্রাংশ আমদানিতে শুল্ক কমানো দরকার।’
রাইসুল উদ্দিন সৈকত বলেন, ‘বাংলাদেশের বড় শিল্পগুলোর মধ্যে ওষুধ শিল্প অন্যতম। ওষুধ শিল্পের কাঁচামাল সংরক্ষণের জন্য বিশেষ সুবিধা প্রদান করতে হবে। পাশাপাশি আমদানিতে শুল্ক কমিয়ে পাঁচ শতাংশ, ওষধ উৎপাদনে ব্যবহৃত মোড়কপণ্য, প্রয়োজনীয় কাঁচামাল ও অন্যান্য অতীব প্রয়োজনীয় উপাদান ওষুধ শিল্প আইনের সঙ্গে সংযোজন করা, ওষুধ রপ্তানি বৃদ্ধির স্বার্থে প্রতিটি অর্ডারে পাঁচ শতাংশ পর্যন্ত নমুনার ক্ষেত্রে ভ্যাট প্রত্যাহার, ক্যান্সার নিরোধক ওষুধের কাঁচামাল আমদানিতে শুল্ক প্রত্যাহার করার দাবি করছি।’
এছাড়াও ব্যবসা বান্ধব এবং গণমুখী বাজেট প্রত্যাশা করে তিনি বলেছেন, ‘জাতীয় অর্থনীতিকে সুদৃঢ়করণে আমদানি শুল্ক, মূল্য সংযোজন কর ও আয়করসহ একটি সুষম শুল্কায়ন কাঠামো প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন জরুরি। তরুণ উদ্যোক্তারা বিনিয়োগে উৎসাহী হোক এই কামনাই করছি।’
দেশের সার্বিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে ব্যবসাবান্ধব নীতি প্রণয়নের উপর গুরুত্বারোপ করে তরুণ এ শিল্প উদ্যোক্তা বলেন, ‘আঞ্চলিক বাণিজ্যে অশুল্ক বাধাসমূহ দূরীকরণের মাধ্যমে বাণিজ্য ঘাটতি হ্রাস করা সম্ভব। ২০২১ সালের মধ্যে মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত করতে ব্যবসায়ীদের গ্যাস সংকট নিরসনের জন্য এলএনজি গ্যাস টার্মিনাল নির্মাণ এবং দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ বাড়াতে অবকাঠামো খাতে আরও উন্নয়ন করতে হবে।’
তিনি বলেন, ‘আগামী বাজেট অবশ্যই ভোক্তা ও শিল্পবান্ধব করতে হবে। বর্তমান মুক্ত বাজার অর্থনীতিতে যে দেশের পণ্যের দাম কম হবে সে দেশের পণ্য বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে পড়বে। তাই রপ্তানির ক্ষেত্রে দেশীয় ব্যবসায়ীরা বিশেষ সুযোগ সুবিধা পেলে দেশীয় বাজার সম্প্রসারন হবে। প্রতিযোগীতামূলক বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে এগিয়ে যেতে ব্যবসাবান্ধব বাজেট প্রয়োজন।’
বাজেটে ব্যাংক ঋণের সুদের হার কমিয়ে সিঙ্গেল ডিজিটে নিয়ে আসা জরুরি বলেও মনে করেন রাইসুল উদ্দিন সৈকত।