ঢাকাMonday , 16 May 2016
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

বিহারি উচ্ছেদে স্থিতাবস্থা জারি করেছে হাইকোর্ট

Link Copied!

HIGH+COURTনিজস্ব প্রতিবেদক : মিরপুরের ক্যাম্পগুলোর বাইরে অবৈধভাবে বসবাসরত বিহারিদের উচ্ছেদে স্থিতাবস্থা জারি করেছেন সুপ্রিমকোর্টের আপিল বিভাগ। আদালতের এ আদেশের ফলে বিহারিরা যেভাবে আছেন সেভাবেই থাকবেন বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা।
প্রধান বিচারপতি এসকে সিনহার নেতৃত্বাধীন ৪ বিচারপতির আপিল বেঞ্চ সোমবার এ আদেশ দেন। আদালতে বিহারিদের পক্ষে শুনানি করেন এ এফ এম হাসান আরিফ ও অ্যাডভোকেট হাফিজুর রহমান। অপরদিকে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম।
এর আগে গত ২৯ মার্চ হাইকোর্টের অন্য একটি বেঞ্চ বসবাসরত বিহারিদের উচ্ছেদে রায় দেন হাইকোর্ট।একইসঙ্গে ক্যাম্পের ভিতরে বসবাসকারী জাতীয় পরিচয়পত্রধারী বিহারীদের পুনর্বাসনেরও নির্দেশ দেয়া হয়। পরে এই রায় স্থগিত চেয়ে আপিল বিভাগে আবেদন করেন মিরপুরের বিহারিরা। ওই রায়ে মিরপুরের পল্লবীর বিহারি ক্যাম্প, মোহাম্মদপুরের জেনেভা ক্যাম্প, নীলফামারীর সৈয়দপুরের বিহারি ক্যাম্পের বাইরে সরকারি জায়গায় অবৈধভাবে যারা বাস করছেন তাদের উচ্ছেদের রায় দেয়া হয়।
জানা যায়, মিরপুর পল্লবী থানার অন্তর্ভূক্ত ক্যাম্পের আশেপাশের সরকারি জায়গাসমূহ ১৯৯৫ সালে জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষ বিভিন্ন ব্যক্তির নিকট বরাদ্দ দেয় এবং প্লট বরাদ্দ পাওয়াদের পজিশন লেটার বুঝিয়ে দেয়া হয়।
২০০২ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি ঢাকা সিটি করপোরেশন পল্লবীর ক্যাম্পগুলো আশপাশের বিহারিদের দোকানপাট উচ্ছেদের উদ্যোগ নেয়। এর বিরুদ্ধে ‘উর্দু স্পিকিং পিপলস ইউথ রিহাবিলিটেশন মুভমেন্টের সভাপতি সাদাকাত খান (ফাক্কু) ও শাহিদ আলী বাবলু বাদী হয়ে পল্লবী থানার অন্তর্ভূক্ত ক্যাম্পগুলো উচ্ছেদের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন। এছাড়া সারা দেশের বিহারি ক্যাম্পগুলো নিয়ে বিভিন্ন সময়ে আরো ৮টি রিট দায়ের করা হয়।
এরপর হাইকোর্ট পল্লবী থানার অর্ন্তভূক্ত ক্যাম্পবাসীদের বাড়ি ঘর দোকান পাট তাদের ব্যবহৃত খালি জায়গা থেকে বিকল্প ব্যবস্থা না করে এবং মামলা নিস্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত উর্দুভাষীদের উচ্ছেদ না করতে অন্তবর্তীকালীন নির্দেশ দেন।
আইনজীবী জানান, হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞা বলবৎ থাকার পরও জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষ ক্যাম্পবাসীদের বাড়ি ঘর দোকানপাট ভাংচুর করে উচ্ছেদের চেষ্টা করে। এর বিরুদ্ধে সাদাকাত খান (ফাক্কু) ২০০৩ সালে হাইকোর্টে আরো একটি রিট আবেদন করলে আদালত কর্তৃপক্ষের ওপর রুল জারি করেন।
দীর্ঘদিন পর গত ২৫ জানুয়ারি রিট পিটিশনগুলো শুনানির জন্য বিচারপতি মো. মঈনুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন বেঞ্চে আসে। হাইকোর্ট এ বিষয়ে জারি করা রুল গুলো খারিজ করে আদেশ দেন।