ঢাকাSunday , 15 May 2016
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

পোশাক শিল্পকে প্রত্যক্ষ করের আওতামুক্ত রাখার দাবি

Link Copied!

garmentsনিজস্ব প্রতিবেদক : পোশাক শিল্পকে প্রত্যক্ষ করের আওতামুক্ত রাখার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ গার্মেন্ট ম্যানুফ্যাকচারারস অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিজিএমইএ)। তৈরি পোশাক কারখানা মালিকদের সংগঠনটি বলছে, অর্থনীতিতে খাতটির সামগ্রিক অবদান বিবেচনা করে এমনটি করা হলে অর্থনীতি বেশি লাভবান হবে।
শনিবার (১৪ মে) রাজধানীর বিজিএমইএ ভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটির সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান এ দাবি জানান। এসময় আসন্ন বাজেটে এ সংক্রান্ত বিশেষ বিবেচনার জন্য তিনি সরকারের প্রতি তিনটি সুপারিশ তুলে ধরেন।
সংবাদ সম্মেলনে বিজিএমইএ সভাপতি জানান, আন্তর্জাতিক বাজারে পোশাকের দরপতন, রিমেডিয়েশন বা পুনর্গঠনের অতিরিক্ত চাপ, গ্যাস সংযোগের সমস্যা, বিদ্যুতের সমস্যা, ব্যাংক ঋণের উচ্চ সুদের হার, উৎপাদন দক্ষতার অভাবের কারণে এ শিল্পে কাঙ্ক্ষিত বিনিয়োগ হচ্ছে না।
তিনি বলেন, ‘এ মুহূর্তে শিল্পের প্রতিযোগী সক্ষমতা ধরে রাখা এবং ২০২১ সালে ৫০ বিলিয়ন ডলার রপ্তানির লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের জন্য নীতি সহায়তা প্রদানের বিকল্প নেই। এজন্য কিছু সুপারিশ তুলে ধরছি। এগুলো হল, তৈরি পোশাক শিল্পের জন্য ১০ শতাংশ হ্রাসকৃত হারে করারোপের মেয়াদ আগামী ৫ বছরের জন্য বৃদ্ধি করা এবং উৎসে কর কর্তনের হার ২০১৪-২০১৫ অর্থবছরের ন্যায় করা, রপ্তানি সহায়ক সেবাগুলো ভ্যাটমুক্ত করা এবং অগ্নি নির্বাপক ও আধুনিক বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী যন্ত্রপাতি ও যন্ত্রাংশ ভ্যাটমুক্ত করা।’
সিদ্দিকুর রহমান আরও বলেন, ‘আমাদের মতে, পোশাক শিল্পের উপর প্রত্যক্ষ করের বোঝা না চাপিয়ে অর্থনীতিতে এর সামগ্রিক অবদানগুলো বিবেচনা করে প্রত্যক্ষ করের আওতামুক্ত রাখলে সামগ্রিক অর্থনীতি বেশি লাভবান হবে।’
গ্যাস সঙ্কটের সমাধানের দাবি জানিয়ে সিদ্দিকুর রহমান বলেন, ‘এ ব্যাপারে একটি জ্বালানি নীতিমালা প্রয়োজন। তাহলে আমরা সে অনুযায়ী কারখানা স্থাপন করতে পারব।’
সব কারখানাকে বিজিএমইএর ডাটাবেজের অধীনে আসতে হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘সরকারি উদ্যোগে গঠিত শ্রমিক কল্যাণ তহবিলে বিজিএমইএ থেকে প্রতিবছর ৮০ কোটি টাকা দেয়া হবে। এ সহায়তার জন্য সব কারখানাকে বিজিএমইএর ডাটাবেজের সাথে যুক্ত হতে হবে। যারা করবে না, তারা আমাদের সহায়তা পাবে না।’ গত ৪ বছরে এ পর্যন্ত ৬০৩টি কারখানা এ ডাটাবেজের সাথে যুক্ত হয়েছে বলেও জানান তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন, সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট ফারুক হাসান ও এস এম মান্নান কচি প্রমুখ।