ঢাকাFriday , 13 May 2016
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

চিনি-ছোলার দাম ঊর্ধ্বমুখি, স্বাভাবিক কাঁচাপণ্য

Link Copied!

bazarঅর্থনৈতিক প্রতিবেদক : নিত্যপণ্যের বাজারে অস্থিরতা যেন পিছু ছাড়ছে না। আজ একটি তো কাল অন্যটির দাম বাড়ছে। এর ধারবাহিকতায় দুয়েকদিনের ব্যবধানে বাজারে বেড়েছে চিনি, ছোলা ও ব্রয়লার মুরগির দাম। রমজানের আগে এসব পণ্যের দাম আরও বাড়ার আশঙ্কা করছেন ব্যবসায়ীরা।
শুক্রবার (১৩ মে) রাজধানীর কয়েকটি বাজার ঘুরে দেখা গেছে, খুচরা বাজারে প্রতিকেজি চিনি বিক্রি হচ্ছে ৫৫ টাকা থেকে ৬০ টাকা। অথচ দুয়েকদিন আগে খুচরা বাজারে প্রতিকেজি চিনি বিক্রি হয়েছে ৫২ টাকা থেকে ৫৫ টাকায়। প্রতিকেজি চিনিতে বেড়েছে ৫ টাকা।
এ ছাড়া বাজারে ছোলার দামও ঊর্ধ্বমুখি। খুচরা বাজারে মানভেদে প্রতিকেজি ছোলা বিক্রি হচ্ছে ৯০ টাকা থেকে ১০০ টাকায়। যা গত সপ্তাহে বিক্রি হয়েছে ৮৫ টাকা থেকে ৯০ টাকা।
খুচরা ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, রমজান সামনে, এজন্য পাইকারি বাজারে চিনির দাম বাড়ানো হয়েছে। আর এ কারণে খুচরা বাজারে তার প্রভাব পড়েছে। তবে রমজানের আগে চিনির দাম কমবে না বলে জানান তারা।
অন্যদিকে ছোলার দাম রমজানের আগে আরও বাড়ার আশঙ্কা করছেন ব্যবসায়ীরা। চাহিদার চেয়ে আমদানি কম ও আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বাড়ার অজুহাতে দেশের বাজারে ছোলার দাম বাড়ছে বলে জানান তারা।
তবে সরকারি সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) এর মুখপাত্র মো. হুমায়ন কবির জানিয়েছেন, রমজানকে সামনে রেখে টিসিবি অস্ট্রেলিয়া থেকে ১ হাজার ৫০০ মেট্রিক টন ছোলা কিনেছে, যা চলতি মাসের শেষ দিকে দেশে আসবে। রমজানে টিসিবি ছোলা বাজারে ছাড়লে দাম অনেকটা সহনীয় পর্যায়ে আসবে।
খুচরা বাজারে ব্রয়লার মুরগির দামও সামান্য বেড়েছে। খুচরা বাজারে প্রতিকেজি ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ১৬৫ থেকে ১৭০ টাকা। গত সপ্তাহে বিক্রি হয়েছে ১৬০ টাকা থেকে ১৬৫ টাকায়।
বাজারে রসুনের দাম সামান্য কমেছে। খুচরা বাজারে প্রতি কেজি আমদানি করা রসুন বিক্রি হচ্ছে ২৩০ থেকে ২৪০ টাকায়, যা গত সপ্তাহে বিক্রি হয়েছিল ২৫০ থেকে ২৮০ টাকায়। বাজারে দেশি রসুন বিক্রি হচ্ছে প্রতিকেজি ১১০ থেকে ১৪০ টাকা।
খুচরা বাজারে প্রতিকেজি পেঁয়াজ (দেশি) ৩৫-৪০ টাকায় এবং আমদানি করা পেঁয়াজ ২৫-৩৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
খুচরা বাজারে প্রতিকেজি গরুর মাংস ৩৮০ টাকা থেকে ৪২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বাজারে প্রতিকেজি খাসির মাংস ৫৫০ টাকা থেকে ৬০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
ভোক্তাদের সঙ্গে আলাপকালে তারা জানান, আসলে নিত্যপণ্যের বাজারে সরকারের মনিটরিং ব্যবস্থা খুব দুর্বল। আর এ কারণে নিয়ন্ত্রণহীন নিত্যপণ্যের বাজার, যার ফলে ভোক্তাদের মাসুল দিতে হচ্ছে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বাজারে একের পর এক পণ্যের দাম বাড়ছে, অথচ সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে দাম স্বাভাবিক থাকবে। কিন্তু মাঠে তাদের কোনো তদারকি নেই। সঠিক তদারকির অভাবেই বাজারে পণ্যের দাম বেড়ে অস্থিরতা বিরাজ করছে বলে মনে করছেন তারা।
খুচরা বাজারে প্রতি হালি ব্রয়লার মুরগির ডিম বিক্রি হচ্ছে ৩২-৩৪ টাকায়। পাইকারি বাজারে ব্রয়লার মুরগির একশ ডিম ৭২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। হাঁসের ডিম বিক্রি হচ্ছে ৮২০ টাকায় (একশ)।
এদিকে বাজারে কাঁচাপণ্যের দাম স্বাভাবিক রয়েছে। রাজধানীর স্বামীবাগ, কাপ্তানবাজার, সেগুনবাগিচা গিয়ে দেখা গেছে, মানভেদে প্রতিকেজি বেগুন ৩০ টাকা থেকে ৩৫ টাকায়, সাদা গোলাকার বেগুন ৩০ টাকায়, গাজর ৩০ টাকা থেকে ৩৫ টাকায়, শশা ২৫ টাকা থেকে ৩০ টাকায়, ঝিঙে ৩০ টাকা থেকে ৩৫ টাকায়, চিচিঙ্গা ২৫ টাকা থেকে ৩০ টাকায়, পেঁপে ৫০ টাকা থেকে ৬০ টাকা, ধুন্দুল ৩০ টাকা থেকে ৩৫ টাকায়, শালগম ৩০ টাকা থেকে ৩৫ টাকায়, বরবটি ৩০ টাকা থেকে ৩৫ টাকায়, কচুর ছড়ি ৩০ টাকা থেকে ৩৫ টাকায়, লতি ৩০ টাকা থেকে ৩৫ টাকায়, কাঁচামরিচ ৪০ টাকা থেকে ৫০ টাকায়, টমেটো ৩০ টাকা থেকে ৩৫ টাকায়, করলা ৩৫ টাকা থেকে ৪০ টাকায়, ঢেঁড়স ৩০ টাকা থেকে ৩৫ টাকায়, উচ্ছে ৩০ টাকা থেকে ৩৫ টাকায়, পটল ২৫ টাকা ৩০ টাকায়, শজনে ৬০ টাকায় এবং কাকরোল ৪০ টাকা থেকে ৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
খুচরা বাজারে প্রতিটি বড় লাউ ৩৫ টাকায় এবং ছোট লাউ ৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া প্রতিটি ছোট কুমড়া ২৫ টাকা থেকে ৩০ টাকা এবং বড় কুমড়া ৫০ টাকা থেকে ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
বাজারে সয়াবিন তেলের দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। বাজারে প্রতিকেজি খোলা সয়াবিন তেল বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকা থেকে ৮৫ টাকায়। পাঁচ লিটারের বোতলজাত সয়াবিন তেল বিক্রি হচ্ছে ৪৫০ টাকা থেকে ৪৫৫ টাকায়। এক লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেল বিক্রি হচ্ছে ৯২ টাকা থেকে ৯৫ টাকায়।