ঢাকাThursday , 5 May 2016
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

রিজার্ভ চুরি নিয়ে নিউইয়র্ক ব্যাংকের সঙ্গে বৈঠক ১০ মে

Link Copied!

bankনিউজ ডেস্ক : রিজার্ভ অ্যাকাউন্ট খেকে চুরি যাওয়া টাকা ফিরিয়ে আনার উপায় নিয়ে আগামী সপ্তাহে যুক্তরাষ্টের নিউইয়র্ক ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংকের প্রেসিডেন্ট এবং সুইজারল্যান্ডের সুইফট কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. ফজলে কবির। তথ্যসূত্র রয়টার্স।
বাংলাদেশ ব্যংক কর্মকর্তারা মনে করছেন, রিজার্ভ অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা চুরিতে নিউহয়র্ক ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক এবং সুইফটেরও দায় রয়েছে। চলতি মাসের ১০ তারিখ নাগাদ এ দুই প্রতিষ্ঠানের প্রধানদের সঙ্গে বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় গভর্নর ফজলে কবিরের এ বৈঠক হতে পারে। বৈঠকের সম্ভাব্য স্থান হতে পারে সুইজারল্যান্ডের বেসেল। বৈঠকে নিউইয়র্ক ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংকের প্রেসিডেন্ট উইলিয়াম দাদলে থাকছেন বলে জানা গেলেও সুইফটকে কোন পর্যায়ের কর্মকর্তারা প্রতিনিধিত্ব করবেন তা জানা যায়নি।
নিউইয়র্ক ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক এবং নুইফটের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা এ বিষয়ে কিছু বলতে অপারগতা জানান।
বাংলাদেশ ব্যাংক কর্মকর্তারা বলছেন, নিউইয়র্ক ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংককে চুরির দায় নিতে হবে। পেমেন্টের ৩০ আদেশ স্থগিত করতে পারলে অন্যগুলো কেন পারেনি ব্যাংক কর্তৃপক্ষ।
একইভাবে দায় রয়েছে সুইফটেরও। এ কোম্পানির সিস্টেম খুলতে টারার কথা নয়। প্রথমে অস্বীকার করলেও এখন বলছে আগেও তাদের সিস্টেম হ্যাক করার একাধিক ঘটনা ঘটেছে।
গত সপ্তাহে সুইফট স্বীকার করেছে যে, বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা চুরির আগেও এ ধরনের চেষ্টা করেছে দুর্বৃত্তরা। বিশ্বের প্রায় ১১ হাজার আর্থিক প্রতিষ্ঠান এবং ব্যাংক সুইফটের কোর্ড ব্যবহার করছে।
এদিকে অভ্যন্তরীণ এক প্রতিবেদনের সুপারিশ অনুয়ায়ী, কেন্দ্রীয় ব্যাংক কর্তৃপক্ষ নিউইয়র্ক ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংকের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার বিষয়টিও সক্রিয়ভাবে বিবেচনা করছে।
উল্লেখ্য, গত ৫ ফেব্রয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক অব নিউইয়র্ক থেকে বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ অ্যাকাউন্টের গোপন কোর্ড ব্যবহার করে ১০১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার তুলে নেয় দুর্বৃত্তরা। চুরির এ টাকার ৮১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার পাঠানো হয় ফিলিপাইনের রিজাল ব্যাংকের মাকাতি সিটির জুপিটার শাখার চার বিশেষ অ্যাকাউন্টে। সেখান থেকে ক্যাসিনো জাংকেট ও ব্যবসায়ীদের অ্যাকাউন্ট হয়ে সেই টাকা চলে যায় জুয়ার বোর্ডে।
বাকী ২০ মিলিয়ন ডলার পাঠানো হয় শ্রীলংকাভিত্তিক বেসরকারি সেচ্ছাসেবী সংস্থা শাকিলা ফাউন্ডেশনের নামে। কিন্তু প্রাপক সংস্থার নামের বানানে ভুল থাকায় পেমেন্ট আটকে দেয় ব্যাংক কর্মকর্তারা।