ঢাকাTuesday , 3 May 2016
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

কালো টাকা বিনিয়োগের পক্ষে ট্যাক্সেস বার

Link Copied!

moneyনিজস্ব ডেস্ক : অপ্রদর্শিত আয় বা কালো টাকা বিনিয়োগের পক্ষে মত দিয়েছে ঢাকা ট্যাক্সেস বার অ্যাসোসিয়েশন। সংগঠনটির সভাপতি অ্যাডভোকেট আব্বাস উদ্দিন বলেন, ‘শহজ শর্তে নতুন শিল্প স্থাপনে উদ্যোগক্তাদেরকে কালো টাকা বিনিয়োগের সুযোগ দিতে হবে। তা না হলে টাকা বিদেশে পাচার হয়ে যাবে।’
সোমবার (২ মে) বিকেলে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সম্মেলন কক্ষে ২০১৬-১৭ অর্থবছরের প্রাক-বাজেট আলেচনায় তিনি এসব কথা বলেন।
অ্যাডভোকেট আব্বাস উদ্দিন বলেন, ‘মূলধনী বিনিয়োগকে উৎসাহিত করতে এবং সম্পদ ও মূলধন পাচাররোধ করতে সহজ শর্তে নতুন উদ্যোক্তাদেরকে কালোটাকা বিনিয়োগের সুযোগ দিতে হবে। এটি করা হলে দেশে কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। অধিক রাজস্ব আদায়ের জন্য অপ্রদর্শিত আয়কে সহজশর্তে প্রদর্শনের সুযোগ দিতে হবে। ৫ থেকে ৭ শতাংশ আয়কর দিয়ে যাতে অবৈধ অর্থ বৈধ করা যায় বাজেটে এর বিধান রাখকে হবে।’
তিনি জানান, ২০১৬-১৭ অর্থবছরের বাজেটে আয়কর আইনকে সহজ, আধুনিক, যুগোপযোগী, করবান্ধব ও হয়রানি দূর করে গঠনমূলক করা প্রয়োজন। আয়কর আইনজীবীরা করদাতাদের সুবিধা-অসুবিধা সম্পর্কে ভালভাবে জানে। এ কারণে রাজস্বের স্বার্থে করদাতা নিয়োগকৃত আইনজীবী ও এনবিআর কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে নিয়মিত মাসিক মতবিনিময় সভা করলে করদাতারা হয়রানিমুক্ত হবে। সেই সঙ্গে কর আদায়ে গতিশীলতা আসবে বলে মনে করে ঢাকা ট্যাক্সেস বার।
জীবনযাত্রার ব্যয়ের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ করে ব্যাক্তি শ্রেণির করদাতাদের করমুক্ত আয়ের সীমা বৃদ্ধি করার প্রস্তাব করছি। এছাড়া নতুন করদাতা সনাক্ত করে সমন্বিত কার্যক্রম গ্রহণ করে করের আওতা বৃদ্ধি ও করদাতাদের বোঝা লাগব করতে হবে বলেও যোগ করেন তিনি।
আব্বাস উদ্দিন বলেন, ‘বর্তমানে পঞ্চাশ লাখ টাকার উপর টার্নওভার হলে ফার্ম ও কোম্পানিকে দশমিক ৩ শতাংশ হারে আয়কর দিতে হয়। এক্ষেত্রে লোকশানে থাকলেও কর দিতে হয়। এটা কালো আইন। তাই এই কালো আইন বাতিল করতে হবে। বিদ্যমান আয়কর আইনে সর্বনিম্ন জরিমানার বিধান ৫০ শতাংশ বা ৫০ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এটা নায্য নয়। কমানো উচিত।’
আলোচনায় সিনিয়র আইনজীবী গোলাম সরোয়ার বলেন, ‘আয়কর ট্রাইব্রুনাল এখন অনেক দূর এগিয়েছে। ১৯৪৩ সালে উপমহাদেশে এই ট্রাইব্যুনাল যাত্রা শুরু করে। বাংলাদেশের এই ট্রাইব্যুনালকে আইন মন্ত্রণালয়ের অধীনে নেয়া হোক।’
ঢাকা বারের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবদুল মতিন বলেন, ‘আয়কর আইনজীবীদের ক্ষেত্রে বৈধদের চেয়ে অবৈধ প্রতিনিধির সংখ্যা অনেক বেশি। আয়কর মামলা যারা পরিচালনা করছে তাদের সার্টিফিকেট নেই। অফিসের পিয়নও মামলা পরিচালনা করে। আয়কর মামলার প্রায় ৫০ শতাংশ মামলাই অবৈধ আইনজীবীরা পরিচালনা করছে। এটা বন্ধ করতে হবে।’
প্রাক-বাজেট আলোচনায়, এনবিআর চেয়ারম্যান নজিবুর রহমানের সভাপতিত্বে আয়কর, মূসক, শুল্ক বিভাগের সদস্য ও ঢাকা ট্যাক্সেস বারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।