আন্তর্জাতিক ডেস্ক : দক্ষিণ চীন সাগরে আগেই একটি কৃত্রিম ব-দ্বীপ তৈরি করে রেখেছিল চীন। সেই দ্বীপে বিদ্যুত্ পৌঁছে দেয়ার জন্য এবার সাগরটিতে তারা তৈরি করতে যাচ্ছে ভাসমান একটি পরমাণু বিদ্যুত্ সরবরাহ কেন্দ্র। দক্ষিণ চীনন সাগরে নিজের শক্তি বাড়াতেই তারা এটি তৈরি করছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
চীনা গণমাধ্যম গ্লোবাল টাইমসের প্রবিতেদন অনুসারে, দ্বীপগুলি মূল ভূখণ্ড থেকে কয়েক হাজার মাইল দূরে সমুদ্রের মধ্যে অবস্থান করছে। ফলে সেখানকার পাওয়ার গ্রিড থেকে বৈদ্যুতিক তার টেনে বিদ্যুত্ সংযোগ দেয়া প্রায় অসম্ভব। তাই ভাসমান বড় বড় জাহাজের আকারে পরমাণু বিদ্যুত্ কেন্দ্র তৈরির করছে চীন।
তবে এমনটা অবশ্য নতুন নয়। এর অনেক আগেও ষাটের দশক থেকে মার্কিন যুদ্ধজাহাজ এবং সাবমেরিনে পরমাণু চুল্লি ব্যবহার করতো চীন। প্রথমে এগুলোর ব্যবহৃত হতো ঝড়ের সময় মাঝ সমুদ্র থেকে তীরে ফেরার সময় অতিরিক্ত শক্তির জোগান দিতে। কিন্তু প্রযুক্তির উন্নতির সঙ্গে সঙ্গে যুদ্ধের ধরনও পাল্টেছে। তার সঙ্গে পাল্টেছে এই চুল্লিগুলির ব্যবহার।
তবে এর জন্য দুর্ঘটনার সম্ভাবনাও থাকছে। যদি কোনো কারণে চুল্লিতে ব্যবহৃত ধাতুর ছাই বা অবশিষ্টাংশ সমুদ্রের পানিতে মিশে যায় তবে বড় মাপের দুষণ হতে পারে। যেমনটা হয়েছিল জাপানের ফুকুশিমা প্ল্যান্টে। বিশেষজ্ঞদের ধারণা, দক্ষিণ চীন সাগরে নিজেদের কর্তত্ব বাড়াতে ওই দ্বীপগুলিতে সামরিক ঘাঁটি হিসেবে তৈরি করেছে চীন।

