বিনোদন প্রতিবেদক : ‘তাহাদেরই নূতন প্রতিবেশিনীর মেয়ে মৃন্ময়ী। দূরে বড়ো নদীর ধারে ইহাদের বাড়ি ছিল, সেখানে নদীর ভাঙনে দেশত্যাগ করিয়া বছর দুই-তিন হইল এই গ্রামে আসিয়া বাস করিতেছে। এই মেয়েটির অখ্যাতির কথা অনেক শুনিতে পাওয়া যায়। পুরুষ গ্রামবাসীরা স্নেহভরে ইহাকে পাগলী বলে, কিন্তু গ্রামের গৃহিণীরা ইহার উচ্ছৃঙ্খল স্বভাবে সর্বদা ভীত চিন্তিত শঙ্কান্বিত। গ্রামের যত ছেলেদের সহিতই ইহার খেলা; সমবয়সী মেয়েদের প্রতি অবজ্ঞার সীমা নাই। শিশুরাজ্যে এই মেয়েটি একটি ছোটোখাটো বর্গির উপদ্রব বলিলেই হয়। বাপের আদরের মেয়ে কিনা, সেইজন্য ইহার এতটা দুর্দান্ত প্রতাপ।’-রবিঠাকুর তার ‘সমাপ্তি’ গল্পে এভাবেই তুলে এনেছেন মৃন্ময়ীকে।
আর রবিঠাকুরের সেই মৃন্ময়ীকে ছোটপর্দায় আনছেন নির্মাতা শ্রাবণী ফেরদৌস। গল্পটি অবলম্বনের নাটকটির চিত্রনাট্যও করেছেন তিনি। রবিঠাকুরের জন্মজয়ন্তি উপলক্ষে ‘সমাপ্তি’ শিরোনামেই নাটকটির কাজ শুরু করেছেন। এতে মৃন্ময়ীর চরিত্রে অভিনয় করছেন সাবিলা নূর। আর তার স্বামী অপুর্বর চরিত্রে অভিনয় করছেন সজল। সজলের সঙ্গে সাবিলার এটাই প্রথম কাজ।
নির্মাতা শ্রাবণী ফেরদৌস জানালেন, ‘গল্পটা এই সময়ের প্রেক্ষাপটে তুলে আনা হয়েছে। কস্টিউমে কিছুটা পরিবর্তন আনা হয়েছে। গল্পের অপুর্ব কলকাতায় পড়াশোনা করতো। কিন্তু সজল পড়ছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে। গল্পেই ঢাকা শহরটাকেই দেখানো হবে।’
নাটকটি একটি বেসরকারী টিভি চ্যানেলে রবীন্দ্রজয়ন্তিতে প্রচার হবে নাটকটি।

