ঢাকাFriday , 15 April 2016
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

বাড়ছে লবণের দাম

Link Copied!

soltচট্টগ্রাম প্রতিনিধি : দুই সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতি কেজি লবণের দাম বেড়েছে ৬ থেকে ৮ টাকা। ব্যবসায়ীদের দাবি, বিরূপ ‍আবহাওয়ার কারণে উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। আর আমদানির ক্ষেত্রেও রয়েছে বাধা।
দেশের বৃহৎ পাইকারীবাজার খাতুনগঞ্জে খুচরা বাজারে প্রতি কেজি প্যাকেটজাত আয়োডিনযুক্ত (ত্রিপল রিফাইন্ড) লবণ বিক্রি হচ্ছে কোম্পানিভেদে ৩২-৩৩ টাকায়। যার দাম মার্চ মাসের শেষ দিকে ছিল ২৫ টাকা। প্যাকেটজাত সাধারণ আয়োডিন লবণ ২৩-২৫ টাকা ও সাধারণ খোলা লবণ কেজি ১৬ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
বিক্রেতারা বলছেন, মার্চ মাসের শুরুতে প্রতি কেজি লবণের দাম যা ছিল, এখন তার চেয়ে ৬-৮ টাকা বেড়েছে। বস্তা প্রতি বেড়েছে ২৪ থেকে ২৫ এবং প্রতি মণে দাম বেড়েছে ২৮০ থেকে ৩০০ টাকা।
উৎপাদনকারীদের বরাত দিয়ে তাঁরা জানান, বাজারে মূলত অপরিশোধিত লবণের সরবরাহে সংকটের কারণেই লবণের দাম বাড়ছে। জানুয়ারির শুরু থেকে অনিয়মিত ভাবে বৃষ্টি ও বিরূপ ‍আবহাওয়ার কারণে লবণের উৎপাদন ভালো হয়নি। এজন্য লবনের সরবরাহে কিছুটা ঘাটতি আছে। তবে এখন আবার কক্সবাজারে লবণের উৎপাদন হচ্ছে। সরবরাহ কিছুটা বেড়েছে।
খাতুনগঞ্জের মেসার্স পদুয়া স্টোরের ম্যানেজার জাহেদ বলেন, ‘প্রধানত মার্চ থেকে মে মাস লবণ উৎপাদনের মৌসুম। কিন্তু সম্প্রতি বৃষ্টিতে লবনের মাঠ ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। এ কারণে বেশ কিছু দিন ধরে লবণ সরবরাহে ঘাটতি আছে। ডিলারদের চাহিদামতো লবণ দিতে পারছে না মিল। এ কারণে দাম বেড়েছে। মার্চ মাসের শেষ দিকে প্যাকেটজাত আয়োডিনযুক্ত লবন বিক্রি হয়েছিলো ২৫ টাকায়, এখন তা ৩২-৩৩ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।’
শহিদ ব্রাদার্সের স্বত্বাধিকারী শহিদুল ইসলাম বলেন, ‘এপ্রিলের শুরুতে সাধারণ খোলা লবণ কেজি ১৩-১৪ টাকায় বিক্রি হলেও এখন তা ১৬ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। বস্তা প্রতি লবনের দাম বেড়েছে বেড়েছে ২৪ থেকে ২৫ এবং প্রতি মণে বেড়েছে ২৮০ থেকে ৩০০ টাকা।’
তবে প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে সামনে লবণের দাম কমে আসবে বলে মনে করেন শহিদুল।
এছাড়া লবণের দাম বাড়ার জন্য আমদানির ওপর বাধার কথা বলছেন ব্যবসায়ীরা। আমদানির বিষয়ে সরকার নমনীয় না হলে দাম আরও বাড়তে পারে বলেও সতর্ক করেছেন তারা।