ঢাকাWednesday , 13 April 2016
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

‘মসজিদ সমাজ’ নেতাদের অর্থ আত্মসাৎ: দুদকের চার্জশিট

Link Copied!

Dudokনিজস্ব প্রতিবেদক : ‘মসজিদ সমাজ বাংলাদেশ’-এর সভাপতি ও সম্পাদকসহ ঊর্ধ্বতন ৪ কর্মকর্তা অর্থ আত্মসাৎ করায় তাদের বিরুদ্ধে চার্জশিট (অভিযোগপত্র) দিতে যাচ্ছে, দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
দুদকের তদন্তে প্রতারণার মাধ্যমে ১ কোটি ২৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা আত্মসাৎ করার প্রমাণ মিলেছে। এরপরেই মসজিদ সমাজের ৪ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আসামি করে চার্জশিট (অভিযোগপত্র) দিচ্ছে দুদক।
মঙ্গলবার দুদকের প্রধান কার্যালয়ে কমিশনের এক বৈঠকে এ চার্জশিট দাখিলের অনুমোদন দেয়া হয়।
শিগগিরই বিচারিক আদালতে দুদকের উপপরিচালক ও তদন্তকারী কর্মকর্তা মো. তালেবুর রহমান এ চার্জশিট দাখিল করবেন। দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রণব কুমার ভট্টাচার্য্য এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
অনুমোদিত চার্জশিটে আসামিরা হলেন- মসজিদ সমাজ বাংলাদেশের সভাপতি নুরুল ইসলাম গাজী, সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আয়বুর রহমান, সাবেক সভাপতি সালাহ উদ্দিন আহমেদ জোহা ও যুগ্ম সম্পাদক দেওয়ান মোহাম্মদ মিজানুর রহমান।
দুদকের তদন্ত সূত্রে জানা যায়, সমাজসেবা অধিদপ্তরের নিবন্ধিত সামাজিক প্রতিষ্ঠান মসজিদ সমাজ বাংলাদেশ। ১৯৮২ সালে প্রতিষ্ঠানটি ফ্ল্যাট নির্মাণের জন্য জাতীয় গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষ থেকে ২ হাজার ২১৩ গজের একটি প্লট বরাদ্দ নেয়। পরবর্তীতে জমির উন্নয়ন কাজের জন্য মেসার্স গ্রীন ল্যান্ড ডেভেলপমেন্ট ও সিটি ডুয়েলিং লিমিটেডের সঙ্গে চুক্তি করেন মসজিদ সমাজের সভাপতিসহ কর্মকর্তারা।
চুক্তির আলোকে ২০০৭ ও ২০০৮ সালের বিভিন্ন সময়ে এ প্রতিষ্ঠান দুটি থেকে ২৩ লাখ টাকা নেন মসজিদ সমাজের কর্মকর্তারা। পরে এ ২টি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সম্পাদিত চুক্তি ও আম-মোক্তারনামা দলিল বাতিল না করেই ২০০৮ সালের শেষদিকে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং লিমিটেড নামে অন্য একটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ফ্ল্যাট নির্মাণের চুক্তি করে মসজিদ সমাজ বাংলাদেশ।
নতুন চুক্তির আলোকে ২০০৯ থেকে ২০১১ সালের বিভিন্ন সময়ে মসজিদ সমাজের সভাপতি ও সেক্রেটারি সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং লিমিটেড থেকে ২ কোটি ১১ লাখ ১৫ হাজার টাকা নেন।পরবর্তীতে ৩টি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তির বিষয়টি ফাঁস হলে স্থগিত হয়ে যায় ভূমি উন্নয়ন কাজ।
সূত্রটি জানায়, সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং লিমিটেড থেকে নেয়া টাকার মধ্যে ১ কোটি ১০ লাখ ৬৫ হাজার টাকা ব্যয় করা হয়েছে প্রাতিষ্ঠানিক প্লটকে আবাসিক প্লটে রূপান্তর করতে। বাকি ১ কোটি ৫০ হাজার এবং সিটি ডুয়েলিং লিমিটেডের কাছ নেওয়া ২৩ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেন মসজিদ সমাজের ওই নেতারা।
তিন প্রতিষ্ঠান থেকে মোট ১ কোটি ২৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা আত্মসাতের প্রাথমিক প্রমাণের ভিত্তিতে গত বছরের ২৪ মার্চ ওই চারজনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করা হয়। রাজধানীর মোহাম্মদপুর থানায় দুদকের উপপরিচালক মো. তালেবুর রহমান বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।
পরে এ মামলার তদন্তে টাকা আত্মসাতের বিষয়টি প্রমাণিত হওয়ায় উল্লিখিত আসামিদের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিলের অনুমোদন দেয়া হয়ে। বাংলাদেশ দণ্ডবিধির ৪২০/৪০৬/১০৯ ধারায় চার্জশিট দাখিলের অনুমোদন দেয়া হয়।