রাজশাহী প্রতিনিধি : বৃষ্টিপাতের পরে রাজশাহী অঞ্চলে শুরু হয়েছে গরম। চৈত্রের খরতাপে মানুষের জীবন হাসফাস। মাত্র এক দিনের ভ্যাপসা গরমে অতিষ্ট প্রাণ। পাশাপাশি বৈদ্যুতিক লোডশেডিংসহ বিরূপ আবহওয়া এর মাত্রা আরো বেশি বাড়িয়ে দিয়েছে। গত কয়েকদিনের বৃষ্টির পরে রাজশাহীতে শুরু হয়েছে তাপদাহ।
রাজশাহী আবহাওয়া অফিসের তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার রাজশাহীর সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৮ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা আগের দিন বৃহস্পতিবার থেকে এক দশমিক ৩ ডিগ্রি বেশি। বৃহস্পতিবার রাজশাহীতে তাপমাত্রা ছিল ৩৭ দশমিক ৫ ডিগ্রি।
রাজশাহীর আঞ্চলিক আবহাওয়া অফিসের জ্যেষ্ঠ পর্যবেক্ষক লতিফা হেলেন জানান, গেল সপ্তাহে রাজশাহী অঞ্চলে আবহাওয়ার পরিবর্তন আসে। এই পরিবর্তনের কারণে এ অঞ্চলে বৃষ্টি হয়েছে। বৃষ্টির পর রাজশাহীর তাপমাত্রা অনেকটাই স্বাভাবিক ছিল। বুধবার থেকে আবার তাপমাত্রা বাড়তে থাকে। বৃহস্পতিবার দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড হয় ৩৭ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৩ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। শুক্রবার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৮ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা এ বছরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা।
এদিকে, গরমের শুরুতেই নগরীতে লোডশেডিংএর মাত্রা বেড়ে গেছে। রাতে লোডশেডিং হওয়ায় মানুষের ঘরে থাকাই যেন দায় হয়ে পড়েছে। চাহিদার তুলনায় কম বিদ্যুৎ সরবরাহের কারণেই লোডশেডিং করা হচ্ছে বলে বিদ্যুৎ অফিস সূত্র জানিয়েছে।
চৈত্রের তাপদাহে নগরীতে সাধারণ মানুষ প্রয়োজনীয় কাজ ছাড়া ঘর থেকে বের হচ্ছে না। বেলা ১১টার পর সূর্য যখন মাথার উপরে আসতে শুরু করে তখন চারপাশ আরো বেশি উত্তপ্ত হয়ে পড়ে। রাস্তায় মানুষের চলাচল কমে যায়। এতে সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়েছে খেটে খাওয়া মানুষেরা।
ভ্যাপসা গরম ও তাপদহে কদর বেড়েছে শরবত, রসালো ফলের। তাই রাস্তার পাশে ফুটপাতে থাকা শরবত ও রসালো ফলের দোকানগুলোতে বিক্রি বেড়েছে।

