আন্তর্জাতিক ডেস্ক : তুরস্কের সীমান্তে জড়ো হওয়া সিরীয় শরণার্থীদের জোরপূর্বক এবং অবৈধভাবে আবার সিরিয়াতে ফেরত পাঠাচ্ছে তুরস্ক কর্তৃপক্ষ। অ্যামনেস্টি ইন্তারনাশানালের একটি প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
অ্যামনেস্টি জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে জানুয়ারির মাঝামাঝি সময় থেকেই প্রতিদিন নারী, পুরুশ ও শিশুসহ প্রায় ১০০ সিরীয়কে জড়ো করে তারা জোরপূর্বক যুদ্ধ বিধ্বস্ত সিরিয়াতে ফেরত পাঠাচ্ছে।
শরণার্থীদের নিয়ে অনেকদিন ধরেই সঙ্কটে ভুগছে গোটা ইউরোপ। অতি সম্প্রতি ইউরোপীয় ইউনিয়নের সাথে তুরস্কের একটি চুক্তি হয়েছে। এই চুক্তি অনুযায়ী তুরস্ক উপকুল হয়ে গ্রীস অভিমুখে শরণার্থীদের প্রবাহ কমানোর চেষ্টা করছে তুরস্ক। সেটা করতে গিয়েই এই কাজ করছে তারা।
তবে জোরপূর্বক শরণার্থীদের ফেরত পাঠানোর কথা অস্বীকার করেছে তুরস্ক। কিন্তু অ্যামনেস্টির গবেষণা বলছে ভিন্ন কথা। তারা বলেছে, এমন ঘটনাও আছে যেখানে গর্ভবতী নারী এবং পিতামাতাহীন শিশুদেরকেও তারা ফেরত পাঠিয়েছে।
সম্প্রতি জেনেভাতে জাতিসঙ্ঘ শরণার্থী সংস্থার আয়োজিত ৯৪টি দেশের সম্মেলনে মহাসচিব বান কি মুন বিশ্ব নেতাদের উদ্দেশ্যে একত্রিত হয়ে কাজ করার আহবান করেন। তিনি নেতাদের বলেন আরও বেশি করে শরণার্থী ভাগাভাগি করে নিতে।
কিন্তু তুরস্ক এখন এটা চাইছে না। ইউরোপের সাথে তাদের সাম্প্রতিক শরণার্থী চুক্তিতে একটা বিষয়ই প্রাধান্য দেয়া হয়েছে, সেটা হচ্ছে কি করে এই প্রবাহ থামানো যায়। যদি প্রতিদিন ১০০ করে শরণার্থী সিরিয়াতেই ফেরত পাঠানো যায় তাহলে শরণার্থীরা তুরস্কে আসা বন্ধ করে দেবে।

