ঢাকাSunday , 20 March 2016
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

রাতে কমে টমেটোর দাম

Link Copied!

tomatosঅর্থনৈতিক প্রতিবেদক : পুষ্টিগুনে সমৃদ্ধ টমেটো একটি অতি জনপ্রিয় ও সুস্বাদু সবজি। পেকে লাল হওয়ার পর এর পুষ্টিগুনও অনেক বেড়ে যায়। দেশে সারা বছর টমেটো পাওয়া গেলেও শীতকালে এর যোগান ও চাহিদা দুটোই বেড়ে যায়। সঙ্গে সঙ্গে কমে আসে দাম। বছরের অন্য সময় যেখানে প্রতি কেজি টমেটো ৮০ থেকে ১০০ টাকা দিয়ে কিনতে হয় সেখানে শীতকালে কিনতে হয় ২০ থেকে ৩০ টাকায়। এ তো ছিল দিনের দাম। রাতে টমেটো দাম আরও কমে যায়। রাতে ১০ থেকে ১৫ টাকায় কেনা যায় প্রতি কেজি টমেটো।
রাতে রাজধানীর কারওয়ান বাজার ঘুরে দেখা গেছে, দিনের টমেটোর দাম যা ছিল রাতে তা প্রায় অর্ধেক দামে বিক্রি হচ্ছে। রাজধানীর বৃহত্তর কাঁচা বাজারটিতে দিন-রাত ২৪ ঘণ্টাই বেচা-কেনা চলতে থাকে। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত খুচরা বিক্রেতারা সেখানে কাঁচামাল বিক্রি করলেও রাতে পাইকারদের কারবার। তাই জায়গা খালি করতে রাতে খুব কম দামেই মাল ছেড়ে দিতে হয় খুচরা বিক্রেতাদের।
ঘড়িতে তখন রাত ৯টার একটু বেশি। কারওয়ান বাজারে টকটকে পাকা কিছু টমেটো নিয়ে বসে আছেন বিক্রেতা বছির মিয়া। দু’একজন খদ্দের এসে দেখছে, দাম করছে। তাদের কেউ কেউ দু’এক কেজি করে কিনে নিচ্ছে। এরই মধ্যে একজন ক্রেতা কিনে নিলেন ১৫ কেজি টমেটো। কেজি প্রতি দাম পড়লো ৯ টাকা। একই টমেটো একজনের থেকে রাখলেন ১৫ টাকা অন্য জনের থেকে মাত্র ৯ টাকা।
জানতে চাইলে বছির মিয়া বাংলামেইলকে বলেন, ‘আরে ভাই যার কাছ থেকে যা রাখতে পারি। দিনের বেলা এ টমেটো ২৫ থেকে ৩০ টাকা করে বিক্রি করি। রাতে কারও থেকে ১৫ আবার কারও কাছ থেকে ১০ টাকা করেও বিক্রি করি। রাতে কাস্টমার কম। ওদিকে পাইকারদের জন্য জায়গা খালি করে দিতে হয়। তাই কম দামে মাল ছেড়ে দিচ্ছি। তবে যারা পাল্লা পাল্লা (৫ কেজি) মাল কেনে তাদের জন্য দামটা আরও কমিয়ে দেয়া হয়। এরা আমাদের প্রতিদিনের কাস্টমার। প্রতি রাতেই আসে হোটেলের জন্য মাল কিনতে।’
টমেটো বিক্রেতা রনি বাংলামেইলকে জানান, রাত বেড়ে গেলে কম দামেই মাল বিক্রি করতে হয়। দিনের বিক্রিতেই চালান উঠে যায় আর রাতেরটা লাভ। ব্যবসা তো প্রতিদিন সমান হয় না, কম বেশি হতেই পারে। তবে মাল থাকে না। একটু দেরিতে হলেও বিক্রি হয়ে যায়।
রনি আরও জানান, ১০ বছর বয়স থেকেই তিনি কাঁচামাল ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। আগে তার বাবা এ ব্যবসা করতেন। এখন তিনি নিজেই করেন। বাবা তাকে মাঝে মাঝে সহযোগিতা করেন। এ ব্যবসা করে গ্রামের বাড়ি বেশ কিছু সম্পত্তি কেনার কথাও জানালেন রনি। মা-বাবা ও ছোট ভাই-বোনদের নিয়ে খুব সুখেই আছে তিনি।
কলাবাগানের মোল্লা হোটেলের কর্মচারী দেলোয়ার হোসেন বাংলামেইলকে বলেন, ‘দিনের বেলা হোটেলের কাজে ব্যস্ত থাকি। তাই রাতে মাল কিনতে আসি। রাতে কাঁচামাল কিনতে সুবিধা। দাম কম। তার ওপরে ঠেকা মাল কিনতে পারলে আরও অনেক কম দামে পাওয়া যায়। তাছাড়া রাতে যাতায়াতে অনেক সুবিধা। রিকশা, ভ্যান নিয়ে সহজেই কলাবাগানে যেতে পারি।’