ঢাকাFriday , 18 March 2016
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

কঙ্গনার সঙ্গে ডেট করেই স্ত্রীকে হারিয়েছেন ঋত্বিক

Link Copied!

hrithikবিনোদন ডেস্ক :  এক সময় খুব ভালো বন্ধুত্ব ছিল বলিউডের কুইন খ্যাত শীর্ষস্থানীয় অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউত ও কৃষ খ্যাত তুমুল জনপ্রিয় তারকা ঋত্বিক রোশনের মধ্যে। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে তাদের মধ্যকার সম্পর্কটা ক্রমশই মন্দের দিকে যাচ্ছে। পরস্পরকে আইনি নোটিশ পর্যন্ত পাঠিয়েছেন। আর এরপরই মূলত বের হয়ে আসছে তাদের ভেতরকার আরো অনেক গোপনসব তথ্য! তারই ধারাবাহিকতায় জানা গেল, ঋত্বিকের সঙ্গে গোপনে নাকি বাগদানও হয়েছিল কঙ্গনার। আর এই জন্যই স্ত্রী সুসান খানকেও হারাতে হয়েছে তার!
ঋত্বিক রোশান ও কঙ্গনা রানাউতের মধ্যে এক সময়ে গুঞ্জন ছিল যে, তারা ডেটও করতেন! সে বিষয়ে নিশ্চিত কোনো খবর পাওয়া না গেলেও সম্প্রতি ঋত্বিক-কঙ্গনার সম্পর্কের অবনতি এবং পরস্পরের বিরুদ্ধে যখন আইনি নোটিশ পাঠানোর মত কাণ্ড ঘটে গেল ঠিক তখনই জানা গেল তাদের মধ্যকার আরো ভয়াবহ তথ্য। জানা গেল, স্ত্রী সুসান খানের অগোচরে কুইন খ্যাত তারকা অভিনেত্রী কঙ্গনার সঙ্গে ডেটতো করেছেনই, বরং তারসঙ্গে নাকি বাগদানও হয়েছিল!
মুম্বাই মিররের বদৌলতে জানা যায় যে, ঋত্বিকের সঙ্গে কঙ্গনার পরিচয় ২০০৯ সালের শেষ দিকে। ঋত্বিক যখন তার ‘কাইটস’ সিনেমার কাজে ব্যস্ত, তখন কঙ্গনার সঙ্গে তার বন্ধুত্বের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। ধীরে ধীরে সে সম্পর্ক দ্রুতই প্রেমে রূপ নেয়। ২০১৪ সালে কঙ্গনাকে বিয়ের প্রস্তাব দেন ঋত্বিক রোশন। আর তখনই নাকি গোপনে বাগদানও সেরে নিয়েছিলেন তারা। আর এই বিষয়টি যখন ঋত্বিকের স্ত্রী সুসান শুনতে পান, তখনই নাকি ঋত্বিককে ডিভোর্সের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। কিন্তু বিষয়গুলো এতটাই গোপনীয়ভাবে তারা সম্পন্ন করেছেন যে মিডিয়া এগুলো সামান্যতমও আঁচ পায়নি।
সম্প্রতি কঙ্গনা রানাউতের একটি সাক্ষাৎকারকে কেন্দ্র করে প্রথম আইনি নোটিশ পাঠান হৃত্বিক রোশান। সাক্ষাৎকারে ঋত্বিককে ইঙ্গিত করে ঔদ্ধত্যপূর্ণ সমালোচনা করার জের ধরে কঙ্গনার বিরুদ্ধে আইনি নোটিশ পাঠিয়েছেন ঋত্বিক। একটি সাক্ষাৎকারে ঋত্বিককে উদ্দেশ করে তিনি ‘সিলি এক্স’ বলেও মন্তব্য করেছিলেন। আর এমন কড়া মন্তব্যই সইতে পারেননি ঋত্বিক। কঙ্গনার এমন মন্তব্যের জন্য তার কাছে ক্ষমা চাওয়া উচিত, এবং মুচলেকা দেয়া উচিত যে সে তার সম্পর্কে এমন মন্তব্য আর কখনো করবেন না। অন্তত ঋত্বিক রোশন এমনটাই দাবি করে নোটিশ পাঠিয়ে ছিলেন। আর কঙ্গনাও তার প্রেক্ষিতে উল্টো ২১ পৃষ্ঠার এক নোটিশ পাঠান।
ঋত্বিক রোশন তার পাঠানো নোটিশে বলেন, প্রতিদিন গড়ে পঞ্চাশটিরও বেশি ইমেল পাঠাতেন কঙ্গনা। তারমধ্যে বাজে ছবি ও ভিডিও থাকতো। কিন্তু এসবের কখনোই কোনো রিপ্লে দেননি ঋত্বিক।
অন্যদিকে কঙ্গনাও তার পাঠানো নোটিশে ঋত্বিকের ওমন দাবি নস্যাৎ করে দিয়ে বলেন, তার সঙ্গে সম্পর্ক রাখতে ঋত্বিক বেনামে একটি ফেক ইমেইল আইডি তৈরি করেছিলেন। স্ত্রী সুসানের সঙ্গেও সম্পর্ক ঠিক রাখতেই এমনটা করেছিলেন ঋত্বিক!