আন্তর্জাতিক ডেস্ক : গ্রীস থেকে উত্তর ইউরোপে যাওয়ার জন্য যাত্রীরা যে দুর্গম সরু পথ ব্যবহার করেন সেটা বাল্কান ট্রেইল হিসেবে পরিচিত। এই দুর্গম পথই শরণার্থীরা ব্যবহার করেন ইউরোপ প্রবেশের জন্য। কিন্তু স্লোভেনিয়া এবং ক্রোয়েশিয়াসহ মধ্য ইউরোপের বেশ কয়েকটি দেশ তাদের সীমান্ত বন্ধ করে দেয়ার পর এই বাল্কান ট্রেইলও অবরোধ করা হয়েছে।
বাল্কান ট্রেইলের পার্শ্ববর্তী দেশ স্লোভেনিয়া এবং ক্রোয়েশিয়া মঙ্গলবার বলেছে, এই পথ দিয়ে আর কোনো শরণার্থীকে তাদের দেশে প্রবেশ করতে দেয়া হবে না। পার্শ্ববর্তী দেশ সার্বিয়াও খুব শিগগিরই এই দলে যোগ দেবে বলে ইঙ্গিত দিয়েছে।
ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য স্লোভেনিয়া বলেছে, কেবলমাত্র মানবতার খাতিরে আশ্রয়প্রার্থী এবং শেনজেন এলাকার (২৬টি ইউরোপীয় দেশের এলাকা) আইন অনুযায়ী তারা হয়তো কোন শরণার্থীকে প্রবশাধিকারের বিবেচনা করবে। আর কোনো ক্ষেত্রেই করবে না।
কিছুদিন আগে অস্ট্রেলিয়াও শরণার্থীদের ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞা জোরদার করেছে। গ্রীসও শরণার্থীদের প্রতি কঠোরতা দেখাতে ছাড়েনি। এতে করে সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে গ্রীস সিমান্তে প্রায় ১৩ হাজার শরণার্থী এসে জড়ো হয়ে যায়।
ইংল্যান্ড তো আগে থেকেই এ ব্যাপারে নারাজ। তারা এমনকি শরণার্থী প্রশ্নে ইইউ থেকে আলাদা হয়ে যাওয়ার জোগাড় করে ফেলেছে। একমাত্র জার্মানিই ইউরোপের একমাত্র দেশ যারা প্রচুর পরিমাণ শরণার্থীদের আশ্রয় দিয়েছে। এতে জার্মান চ্যান্সেলর আঙ্গেলা মেরকেলের ভুমিকাই সবচেয়ে বেশি।

