অর্থনৈতিক প্রতিবেদক : ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের তুলা আমদানি জটিলতা দূর করে পারস্পারিক যোগাযোগ বাড়াতে রাজধানীর হোটেল রেডিসন ব্লু ওয়াটার গার্ডেনে শনিবার ‘বাংলাদেশ ইন্ডিয়া-কটন ফেস্ট ২০১৬’ আয়োজন করা হয়েছে। ওই দিন সকাল ১০টায় বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ এ ফেস্টটির উদ্বোধন করবেন।
বৃহস্পতিবার রাজধানীর বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশন (বিটিএমএ) মিলনায়তনে ‘বাংলাদেশ ইন্ডিয়া কটন ফেস্ট ২০১৬’ শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানায় সংগঠনটির সভাপতি তপন চৌধুরী। এ সময় বাংলাদেশ কটন অ্যাসোসিয়েশনের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন। ইন্ডিয়া ও বাংলাদেশ যৌথ উদ্যোগে এ ফেস্টের আয়োজন করবে।
তপন চৌধুরী জানান, প্রথমবারের মতো ‘বাংলাদেশ ইন্ডিয়া কটন ফেস্ট ২০১৬’ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এতে ব্যবসায়িদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআই ও ইন্ডিয়া-বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ (আইবিসিসিআই) সহযোগিতা করছে।
তিনি বলেন, ‘আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত থেকে নিত্য প্রয়োজনীয় খাদ্য সামগ্রী আমদানি ছাড়াও কম খরচে স্পিনিং মিলের বিপুল পরিমাণ তুলা আমদানি করা যাচ্ছে। তাই তুলা আমদানি দিন দিন বাড়ছে। তবে তুলা আমদানিতে কিছু জটিলতায় পড়তে হয়। এ ফেস্টের মাধ্যমে সব ধরনের জটিলতা নিরসন হবে বলে আশা করেন তিনি।’
বিটিএমএর পক্ষ থেকে সংবাদ সম্মেলনে তুলা আমদানির এক পরিসংখ্যান উপস্থাপন করা হয়। পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, দেশের মোট কটনের চাহিদার ২২ শতাংশ তুলা ২০১০ সালে ভারত থেকে আমদানি করা হয়েছে। এছাড়া ভারত থেকে ২০১১ সালে ৩৮ শতাংশ, ২০১২ সালে ২৭ শতাংশ, ২০১৩ সালে ৩৩ শতাংশ, ২০১৪ সালে ৩৮ শতাংশ এবং ২০১৫ সালে ৪৯ শতাংশ কটন আমদানি করা হয়েছে।
প্রশ্নোত্তরে তপন কুমার জানান, বিশ্বের অন্যান্য দেশের সঙ্গে আমরা যোগাযোগ করছি। পরবর্তীতে আফ্রিকা থেকে তুলা আমদানির সম্ভাবনা যাচাই বাছাই করছি।
সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ কটন আ্যাসোসিয়েশন সভাপতি বাদশা মিয়া, সাধারণ সম্পাদক মেহেদি আলী, সাবেক সভাপতি ও পরিচালক মোহাম্মাদ আইয়ুব উপস্থিত ছিলেন।

