ঢাকাMonday , 7 March 2016
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

প্রশাসনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি, প্রকাশ্যে চলে জাটকা নিধন

Link Copied!

fisherচাঁদপুর প্রতিনিধি : জেলার হাইমচরের মেঘনা নদীতে প্রকাশ্যে দল বেধে জাটকা নিধনের মহোৎসব করছে একদল অসাধু জেলে। মতলব উত্তর উপজেলার মোহনপুর ও সদর উপজেলার গোবিন্দিয়া এলাকার জেলেরা সংঘবদ্ধভাবে এই কাজ করছে।
কোস্টগার্ড, নৌ-পুলিশ, মৎস্য বিভাগ ও প্রশাসনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে রোববার (৬ মার্চ) বিকেলের দিকে মাছ ধরে জেলেরা। ৩ শতাধিক জেলে নৌকা, দেশীয় অস্ত্রসহ একযোগে হাইমচরের কাটাখালী, তেলির মোড় সংলগ্ন মেঘনা নদীতে প্রকাশ্যে জাটকা নিধন করেছে।
খবর পেয়ে উপজেলা চেয়ারম্যান নূর হোসেন পাটওয়ারী কাটাখালী এলাকায় গিয়ে বিষয়টি তাৎক্ষণিক জেলা প্রশাসকসহ সংশ্লিষ্টদের জানান। নদীর পাড়ে উপজেলা চেয়ারম্যান আসার খবর পেয়ে জাটকা জেলেরা উত্তর দিকে দল বেধে ছুটে পালিয়ে যায়। এ সময় জাটকা জেলেদের ট্রলারের কালো ধোঁয়ায় পুরো মেঘনা নদী অন্ধকারাচ্ছন্ন হয়ে যায়। খবর পেয়ে এলাকার শত শত জনতা জাটকা নিধনকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানায়।
জাটকা নিধনের খবরে উপজেলা নির্বাহী অফিসার এসএম সরওয়ার কামালও ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে বিষয়টি দেখেন।
এ সময় স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, মতলব উত্তর উপজেলার মোহনপুর ও চাঁদপুর সদর উপজেলার গোবিন্দিয়া এলাকার প্রায় তিনশ জেলে নৌকা, ইট, পাথর, চাক্কি ও দেশীয় অস্ত্রসহ একযোগে কাটাখালী থেকে তেলির মোড় পর্যন্ত নির্বিঘ্নে জাটকা নিধন করে। এখানে কোস্টগার্ড, নৌ-পুলিশ ও মৎস্য বিভাগের কোনো তৎপরতা না থাকায় জাটকা নিধন প্রকাশ্যে চলে। হাইমচরের কোনো জেলে জাটকা না ধরলেও অন্যত্র থেকে আসা জেলেরা প্রকাশ্যে জাটকা নিধন করছে।
এলাকাবাসীর অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে উপজেলা চেয়ারম্যান নুর হোসেন পাটওয়ারী দ্রুত ব্যবস্থা নেয়ার জন্য উপজেলা নির্বাহী কমকর্তাকে নির্দেশনা দেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বলেন, ‘বিষয়টি আমি নিজ চোখে দেখেছি। চাঁদপুর মোহনা পাড়ি দিয়ে কীভাবে এরা এখানে এসে জাটকা ধরছে তা আমার বোধগম্য নয়। তাদের নৌকাগুলো এত দ্রুতগামী যে স্থানীয় ট্রলার দিয়ে ব্যবস্থা নেয়া সম্ভব হয় না। স্পিডবোট ছাড়া এদের ধরা সম্ভব নয়।’
এসব জেলেদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য জেলা প্রশাসকসহ ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে বলেও জানান তিনি।
উল্লেখ্য, নদীতে মাছ ধরা বন্ধের সময় কয়েকদিন পর-পরই এসব জেলেরা সংঘবদ্ধ হয়ে ২ থেকে ৩শ ছোট-ছোট দ্রুতগামী নৌকা নিয়ে ২ থেকে ৩ ঘণ্টা মাছ ধরে উধাও হয়ে যায়। তাদের এসব অপতৎপরতা বন্ধে কোস্টগার্ডের কঠোর পদক্ষেপ নেয়া জরুরি বলে অভিমত ব্যক্ত করেছেন স্থানীয়রা।