ঢাকাTuesday , 1 March 2016
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

কন্ডিশন নিয়ে চিন্তিত নন অশ্বিন

Link Copied!

asinস্পোর্টস ডেস্ক : এশিয়া কাপের টানা দুই ম্যাচ জিতে চার পয়েন্ট নিয়ে সবার ওপরে আছে ভারত। স্বাগতিক বাংলাদেশ ও চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তানকে হারিয়ে অনেকটাই নির্ভার মহেন্দ্র সিং ধোনির দল। মঙ্গলবার নিজেদের তৃতীয় ম্যাচে শ্রীলংকার মুখোমুখি হবে তারা। এ ম্যাচটি জিতলে সবার আগে ফাইনালে ওঠার পথে অনেকটাই এগিয়ে থাকবে ভারত।

উপ-মহাদেশে সাধারণত স্পিন সহায়ক উইকেটে খেলা হয়ে থাকে। তবে এবার এশিয়া কাপ হচ্ছে পেস-সহায়ক উইকেটে। মিরপুরের উইকেটে পেসারদের তুলনায় স্পিনাররা সেভাবে সাফল্যের দেখা পাচ্ছেন না। তাই বলে কন্ডিশন নিয়ে চিন্তিত নন ভারতের অফস্পিনার রবীচন্দ্রন অশ্বিন।

মিরপুরের উইকেট প্রসঙ্গে অশ্বিন বলেন, ‘এখানে বিস্ময়ের কিছু নেই, যেহেতু স্বাগতিকদের পছন্দসই উইকেট দিয়েছে। তবে যেকোন কন্ডিশনই দেয়া হোক না কেন, আন্তর্জাতিক একটি দল হিসেবে আমাদের মানিয়ে নেয়ার সামর্থ্য থাকতে হবে। আমরা খুশি যে আমরা ভাল অবস্থানে আছি। এটা আসন্ন টি২০ বিশ্বকাপের আগে বলতে পারেন সবার জন্য ড্রেস রিহার্সেল।’

সম্প্রতি টি২০ ফরম্যাটে ভারতীয় দল দুর্দান্ত ফর্মে রয়েছে। অস্ট্রেলিয়া এবং শ্রীলংকার বিপক্ষে টি২০ সিরিজও জিতেছে কোহলি-ধোনিরা। তাই মিরপুরের পেস সহায়ক উইকেট নিয়ে ভারতীয় স্পিনাররা কোনোরকম উদ্বিগ্নও হতে চান না।

এ প্রসঙ্গে অশ্বিন বলেন, ‘যে কন্ডিশনের মধ্যে আপনাকে ছুঁড়ে ফেলা হয়েছে সেটা জানা জরুরি। চেষ্টা করতে হবে সেখানে মানিয়ে উঠে কন্ডিশনকেই হারাতে হবে। তাই এটা বোঝা জরুরি যে, এখানে তেমন স্পিন করবে না। আর এই কারণে উইকেট নেয়ার চেয়ে আপনাকে সঠিক জায়গায় বল রাখাটা গুরুত্বপূর্ণ। কারণ টি২০ ক্রিকেটে বোলিং দক্ষতার চেয়ে বরং ব্যাটিংয়ের বিষয়টি নিয়েই চাপ থাকতে হয়। তাই এই ধরণের কন্ডিশনে আমি এটাই করতে চাই। যখনই আক্রমণের কোন সুযোগ উন্মুক্ত হবে, তখন তা আমি অবশ্যই করব।’

এশিয়া কাপ শেষ হবে ৬ মার্চ। এরপর ৮ মার্চ থেকে ভারতে বসবে টি২০ বিশ্বকাপের আসর। তাই টি২০তে আরো বেশি মনোযোগী ভারতীয় দল বলে মনে করছেন অশ্বিন। এ প্রসঙ্গে ভারতীয় এই অফস্পিনার বলেন, ‘আগামী ৩-৪ মাসে আমরা টি২০র দিকে মনোযোগী। এ কারণে দল হিসেবে আমরা কতটা অজর্ন করতে পারি সেটাই মুখ্য। প্রতিপক্ষ কে সেদিকে আমাদের মনোযোগ নেই। নিজেদের পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়নের দিকেই বেশি মনোযোগ আমাদের।’

পাক-ভারত ম্যাচ নিয়ে অশ্বিন বলেন, ‘এটা শুধুই একটা ম্যাচ ছিল। আমি শুধু একটা ম্যাচকেই ওপরে রাখব সেটা হচ্ছে ২০১১ সালের বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে তাদের বিরুদ্ধে যে ম্যাচ খেলেছি সেটা। এছাড়া আমরা আসলে কোনও বাড়তি চাপ নেইনি। সাধারণ মানুষ এবং মিডিয়া এত আলোচনা করে বলেই ম্যাচটা নিয়ে মাতামাতি বেশি। কিন্তু আমরা এটাকে অন্য ম্যাচগুলোর মতোই দেখি।’

মিরপুরের পেস সহায়ক উইকেটে ভারতীয় পেসাররাও ভালো বল করছেন। বিশেষ করে বুমরাহ ও আশীষ নেহরা। ভারতীয় এই দুই পেসার ভালো করায় পরবর্তীতে ভালো বল করা আরো সহজ হচ্ছে বলে মনে করছেন রবীচন্দ্রন অশ্বিন।

এ প্রসঙ্গে ভারতীয় অফস্পিনার বলেন, ‘বুমরাহ ও নেহরার দুর্দান্ত পারফর্মেন্স স্পিনার হিসেবে আমার জন্য সহায়ক হয়েছে। আমরা যদি গ্রুপবদ্ধ হয়ে জ্বলে উঠতে পারি, সেক্ষেত্রে তা অনেক ভাল হবে। আমরা জানি আশিষ বেশ অভিজ্ঞ একজন। তিনি ডেথ ওভারে দারুণ কিছু করার সামর্থ্য রাখেন এবং বুমরাহ ইয়র্কার বল করতে পারেন। আর এটাই সম্ভবত গত কয়েক বছর আমরা মিস করেছি। এখন এটা আমাদের বোলিং লাইনআপের জন্য বাড়তি শক্তি যোগ করেছে। আমাদের ডেথ ওভারের বোলিং অতীতের চেয়ে এখন অনেক ভাল।’