ঢাকাMonday , 29 February 2016
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

রাবিতে মশার উপদ্রবে ভোগান্তিতে শিক্ষার্থীরা

Link Copied!

Rajshahi-universityরাজশাহী  প্রতিনিধি : বসন্তের হাওয়া বইতে না বইতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) মশার উপদ্রব চরম আকার ধারণ করেছে। মশার কামড়ে অতিষ্ট হয়ে পড়ছেন শিক্ষার্থীরা। বিশেষ করে সন্ধ্যা নামলেই আবাসিক হলগুলোতে শুরু হচ্ছে মশাদের রাজত্ব।
এদিকে, মশাদের অত্যাচারে দুর্ভোগ নেমে আসলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না বলে শিক্ষার্থীদের অভিযোগ।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয় আবাসিক হলগুলোর পাশের ঝোপ-জঙ্গল ও ড্রেনগুলো নিয়মিত পরিষ্কার না করার কারণে ক্যাম্পাসে অত্যাধিক মশা বিস্তার লাভ করেছে। বিকেল গড়ালেই শুরু হয় মশাদের অত্যাচার। মশার কামড়ে ক্যাম্পাসের ইবলিশ চত্বর, শহীদ মিনার, পরিবহণ মার্কেটসহ পুরো ক্যাম্পাসে বন্ধুদের সঙ্গে বসে আড্ডা দেয়া দায় হয়ে গেছে। গরম না আসতেই আবাসিক হলগুলোতে মশার উপদ্রবে সন্ধ্যার সময় বসে পড়াশোনা পারছে না শিক্ষার্থীরা। মশারির মধ্যে বসে তাদের পড়াশোনা করতে হচ্ছে।
এ বিষয়ে শহীদ শামসুজ্জোহা হলের আবাসিক শিক্ষার্থী বাপ্পী বলেন, ‘আমাদের হলের পাশে জঙ্গল ও ড্রেনগুলো পরিষ্কার না করায় অত্যধিক মশার সৃষ্টি হয়েছে। সামনে পরীক্ষা, মশার উপদ্রবে বসে একটু পড়াশোনা করতে পারছি না। সন্ধ্যা হলেই মশারি দিয়ে থাকতে হচ্ছে। এভাবে মশারির মধ্যে বসে পাড়াশোনা করা যাচ্ছে না।’
বঙ্গবন্ধু হলের আবাসিক শিক্ষার্থী সুমন হোসেন বলেন, ‘আমাদের হলের উত্তর দিকের ড্রেনের পানি দীর্ঘদিন ধরে জমা হয়ে আছে। এতে করে প্রতিদিন হাজারো মশার সৃষ্টি হচ্ছে। সন্ধ্যার পর মশারি না দিলে হলে বসে থাকা যাচ্ছে না। আমি আশা করবো বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন অতি শিগগিরই আবাসিক হলগুলোতে মশানিধন স্প্রে প্রয়োগ করে আমাদের মশা থেকে রক্ষা করবেন।’
নাম প্রকাশ না করার শর্তে সমাজকর্ম বিভাগের এক শিক্ষার্থী অভিযোগ করে বলেন, ‘আমরা মশার কামড়ে অতিষ্ট হয়ে গেলেও বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের বাসভবনে শনিবার মশা নিরোধক স্প্রে করা হয়েছে। আমাদের পড়াশোনার কথা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন না ভেবে নিজেদের কথা ভাবছে।’
তাপসী রাবেয়া হলের আবাসিক শিক্ষার্থী বিজলী রায় বলেন, ‘মশার অত্যাচারে খুব অতিষ্ট হয়ে ছিলাম। শনিবার আমাদের হলে মশা নিধন স্প্রে করে যাওয়ায় মশা থেকে একটু রেহাই পেয়েছি।’
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক ছাদেকুল আরেফিন বলেন, ‘মশার ব্যাপারে গত সপ্তাহে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের সঙ্গে কথা হয়েছে। তারা অতি দ্রুত মশানিধন স্প্রে প্রয়োগ করবে বলে আমাদের জানিয়েছে।’
উপাচার্যের বাসভবনে মশানিধন স্প্রে দেওয়ার ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক চৌধুরী সারওয়ার জাহান বলেন, ‘শনিবার স্পেশালভাবে মেয়েদের হলগুলোতে মশানিধন স্প্রে করে গেছে। আমরা তাদের অনুরোধ করেছি তারা আগামী সোমবার বিশ্ববিদ্যালয়ে স্প্রে করে দিয়ে যেতে পারে।’