ঢাকাSunday , 28 February 2016
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

পিচের প্রতিটি ইঞ্চিতেই ছিল রহস্য

Link Copied!

ind-pakস্পোর্টস ডেস্ক : এশিয়া কাপের চতুর্থ ম্যাচটি ছিল চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারত আর পাকিস্তানের মধ্যে, কিন্তু জয় হয়েছে অন্য একজনের। তিনি হলেন মিরপুর শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামের পিচ কিউরেটর। সাধারণত টি২০তে পিচ তৈরি করা হয় ব্যাটসম্যানদেরই অনুকূলে। তবে উল্টোটা হলেও যে স্নায়ুযুদ্ধের কোনো কমতি হয় না তা ভালোই টের পাওয়া গেল এ ম্যাচে। শনিবার মিরপুরের যে পিচে খেলা হয়েছে তার প্রতিটি ইঞ্চিতেই ছিল রহস্য। আর সেই রহস্যের সমাধান করে ভারতের তরী তীরে ভেড়ালেন বিরাট কোহলি ও ‌যুবরাজ সিং।

টস জিতে প্রথমে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন ভারত অধিনায়ক ধোনি। পিচের চেহারা দেখে ধোনির সিদ্ধান্তকে সমর্থনই করেন বিশেষজ্ঞরা। ব্যাট করতে নেমেই ধস নামে পাকিস্তানের ইনিংসে। গোটা ইনিংসে দুই সংখ্যার রান করেছেন মাত্র দুই ব্যাটসম্যান। তার মধ্যে খররুম মনজুরের সংগ্রহ সর্বসাকুল্যে ১০ রানই। পাকিস্তানের ইনিংসের সর্বোচ্চ রান করেন সরফরাজ আহমেদ। তাও ২৪ বলে ২৫। শুরু থেকেই ধুঁকতে ধুঁকতে ১৭ দশমিক ৩ ওভার খেলে ৮৩ রান করে আফ্রিদি বাহিনী। হার্দিক পান্ডে ৩টি ও রবীন্দ্র জাদেজা ২টি উইকেট নেন।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে একই হাল ভারতেরও। মোহম্মদ আমিরের ভয়ঙ্কর বোলিং আগ্রাসনের প্রথম ওভারেই প্যাভেলিয়নের পথ ধরেন দুই ওপেনার রোহিত শর্মা ও রাহানে। খেলতে নামেন কোহলি ও রায়না। কিন্তু আমিরের দ্বিতীয় ওভারে মিড অনে ক্যাচ দিয়ে প্যাভেলিয়নের রাস্তা ধরেন রায়নাও। ম্যাচের ভাগ্য ঘুরে যায় পাকিস্তানের দিকে।

মাঠে আসেন ‌যুবরাজ। এরপর ম্যাচের হাল ধরেন ভারত ব্যাটিংয়ের এ দুই রথী। মারার আগে টেস্ট ক্রিকেটারের মতো পিচের চরিত্রটা আগে বুঝে নেন তারা। দুই পেসারের ওভার শেষ হলে ধীরে ধীরে ব্যাট খোলেন তারা।

তবে ১৫ ওভারে এলবিডব্লিউ হয়ে কোহলি ‌যখন সাজঘরে ফিরলেন তখন স্কোর বোর্ডে জ্বলজ্বল করছে ৭৬ রান। হারের বিপ‌র্যয় কাটিয়ে তখন জয়ের দোরগোড়ায় ভারত। এক রানের জন্য অবশ্য অর্ধশত রান থেকে বঞ্চিত হন কোহলি। ৫১ বলে তার সংগ্রহ ৪৯ রান।‌ সামির ওই ওভারেই আউট হন হার্দিক পান্ডেও।

নামেন ধোনি। ‌যুবরাজকে সঙ্গে নিয়ে পরের ওভারেই ম্যাচ শেষ করে দেন। বাউন্ডারি দিয়ে খেলা শেষ করেন অধিনায়ক। সঙ্গে সঙ্গেই বেলগুলো সরিয়ে একটি স্ট্যাম্প হাতে মাঠ ছাড়েন তিনি। আর দলের বিপর্যয়ের সময় যুবরাজ মাত্র ১৪ রান তুলতেই খরচ করেন ৩২ বল। পাকিস্তানের হয়ে আমির ৩টি উইকেট নিয়েছেন। আর সামি নিয়েছেন ২টি উইকেট। তবে ছোট স্কোরের ম্যাচ হলেও সারাক্ষণই ছিল টানটান উত্তেজনা। কেউ বলতে পারবে না যে ভারত-পাকিস্তানের ম্যাচটি জমেনি।