স্পোর্টস ডেস্ক : পৃথিবীর অনেক প্রান্তে খেলেছেন পাকিস্তানের টি২০ অধিনায়ক শহীদ আফ্রিদি। ক্রিকেটের সংক্ষিপ্ত ফরম্যাটে ছক্কা হাঁকাতে তার জুড়ি নেই। তাইতো টি২০ ফরম্যাটে বুম-বুম হিসেবে বেশি পরিচিতি পেয়েছেন। তবে বাংলাদেশে সব সময় খেলাটাকে দারুণ উপভোগ করেন বলে জানিয়েছেন আফ্রিদি।
বাংলাদেশে টানা তৃতীয়বারের মতো হচ্ছে এশিয়া কাপ। বাংলাদেশে হয়ে যাওয়া এশিয়া কাপের আসরগুলোতে খেলেছেন শহীদ আফ্রিদি। এমনকি বাংলাদেশে ঘরোয়া টি২০ টুর্নামেন্ট বিপিএলের দুটি আসরে খেলেছেন তিনি। তাই আজ ভারতের বিপক্ষে মাঠে নামার আগে ঢাকার মাঠকে প্রিয় বলে মনে করছেন তিনি।
বাংলাদেশে সব সময় খেলাটাকে দারুণ উপভোগ করে থাকেন আফ্রিদি । এ প্রসঙ্গে পাকিস্তানের টি২০ অধিনায়ক বলেন, ‘বাংলাদেশে খেলা সবসময়ই আমার জন্য অনেক বড় একটি ব্যাপার। আশা করছি এবারও এখানে ক্রিকেট উপভোগ করব। আমি এখানে থাকাটা এবং স্থানীয়দের আতিথেয়তা বেশ উপভোগ করেছি।’
নিজের পারফরম্যান্স সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘আমি সবসময়ই চেষ্টা করি নিজের পারফর্মেন্সের দিকে মনোযাগী থাকতে। কারণ আমি জানি এটা আমার দলের জন্য কতটা জরুরী। আমি যখন ব্যাট করি সেখান থেকেও দলের জন্য কিছু অবদান রাখতে পারি। এটাই গুরুত্বপূর্ণ। এটা ২০/৩০ রানই হোক না, সেটা জরুরী। তবে আমার মূল শক্তি বোলিং। আশা করছি এবারও সব ভার্সনেই ক্রিকেট উপভোগ করব।’
সম্প্রতি ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে খুব একটা ম্যাচ হয় না। তার ওপর পাকিস্তানি ক্রিকেটাররা ভারতেও সেভাবে খেলার সুযোগ পায় না। তাই এ ব্যাপারে ভারতীয় সরকারের দৃষ্টি-ভঙ্গি পরিবর্তন দরকার বলে মনে করেন আফ্রিদি। ভারত ও পাকিস্তান ম্যাচ বেশী হলে দুই দেশের খেলোয়াড়দের মধ্যে হৃদ্যতার সম্পর্কও তৈরী হয়।
এ প্রসঙ্গে শহিদ আফ্রিদি বলেন, ‘স্পোর্টস সবসময়ই দেশসমূহের মধ্যে ভাল সম্পর্ক গড়ে তোলে। আনন্দ উপভোগ ব্যতিরেকে এটা মানুষের লড়াইয়ের সময় নয়। আমার মনে হয় পাকিস্তানী মানুষ ভারতীয়দের পাকিস্তানে দেখতে চায় এবং একইভাবে ভারতীয়রাও পাকিস্তানকে তাদের ওখানে খেলতে দেখতে চায়। আমাদের অবশ্যই উচিত নয় খেলাতে রাজনৈতিক রং চড়ানো। আমাদের মানুষের চাহিদা বিবেচনা করা উচিত। আমরা সবসময়ই এ বার্তা দিতেই চেষ্টা করি। আমাদের সরকার সবসময় এ ব্যাপারে প্রথম পদক্ষেপটা নিয়ে থাকে।’

