ঢাকাSaturday , 27 February 2016
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

‘ভয়াবহ ঝুঁকির মুখে বৈশ্বিক অর্থনীতি’

Link Copied!

meetingঅর্থনীতি ডেস্ক : বৈশ্বিক অর্থনীতি এক ভয়াবহ ঝুঁকির ভেতর দিয়ে যাচ্ছে বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)। সংস্থাটি যুক্তরাষ্ট্রসহ অন্যান্য বৃহত জাতিগুলোকে সম্ভাব্য ঝুঁকি মোকাবেলায় জরুরী পরিকল্পনা গ্রহন করারও পরামর্শ দিয়েছে। দেশগুলো যাতে অর্থনৈতিক মন্দা পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে পারে সে লক্ষ্যেই আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের পক্ষ থেকে এই সতর্কতা জারি করা হয়েছে রিপোর্টাকারে।

জি২০ সম্মেলনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের জন্য এই রিপোর্ট তৈরি করা হয়েছে। বিশ্বের সবচেয়ে বড় অর্থনীতি বিষয়ক সম্মেলন জি২০ আগামী সপ্তাহে চীনের সাংহাইয়ে শুরু হতে যাচ্ছে। বিশেষত শেয়ার বাজারের ক্রমাগত অবনতি, মুদ্রার অবমূল্যায়ন এবং অর্থনৈতিক দুর্বলাবস্থার কারণে এই সম্মেলন ডাকা হয়েছে। আইএমএফ’র রিপোর্টে বিশেষভাবে তেলের দাম কমে যাওয়া ব্যাপারে নজর দেয়া হয়েছে। তেলের দাম কমে যাওয়ায় বৈশ্বিক অর্থনীতিতে ব্যাপক রদবদল হচ্ছে বলেও বলা হয় রিপোর্টে। পাশাপাশি অধিকাংশ দেশের প্রবৃদ্ধি হার কমে যাওয়া ও চীনের শেয়ারবাজার ধস প্রশ্নেও জি২০ নেতারা মিলিত হচ্ছেন।

রিপোর্টে আইএমএফের এক কর্মকর্তা জানান, ‘জনসাধারণের বিনিয়োগ বাঁচানোর জন্য জি২০ ভুক্ত দেশগুলোর এখনই সম্মিলিত একটি পরিকল্পনা প্রনয়ন করা উচিত। যাতে আগামী অর্থ বছরে সাধারণের বিনিয়োগ ঝুঁকির কবলে না পরে।’ রিপোর্টে আরও বলা হয় যে, জি২০ ভুক্ত দেশগুলোর উচিত অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি যদি একই হারে নেমে আসতে থাকে তাহলে নতুন পরিকল্পনা গ্রহন করা। কারণ বর্তমান অর্থনৈতিক অবস্থার প্রেক্ষাপটে নতুন পরিকল্পনা গ্রহন না করলে নিকটবর্তী সময়েই সামগ্রিক প্রবৃদ্ধির হার আরও কমে আসবে।

২০১৬ এবং ২০১৭ সালের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির কথা মাথায় রেখে গত মাসেই আইএমএফ যে ভবিষ্যতবানী করেছিল তাতে প্রবৃদ্ধির হার দেখানো হয়েছিল শূণ্য দশমিক দুই শতাংশ। সাবেক ভবিষ্যতবানী অনুযায়ী চলতি বছরে প্রবৃদ্ধি হবার কথা ছিল তিন দশমিক চার শতাংশ এবং আগামী বছর হওয়ার কথা তিন দশমিক ছয় শতাংশ। কিন্তু আইএমএফ সর্বশেষ ভবিষ্যতবানীতে প্রবৃদ্ধির হার কমিয়ে আনে অর্থনৈতিক মন্দাবস্থার কথা মাথায় রেখে। রিপোর্টে আরও বলা হয়, আগামী এপ্রিল মাস নাগাদ পরবর্তী মুদ্রামান হ্রাস হবার সম্ভাবনা রয়েছে। উল্লেখ্য যে, এপ্রিল মাসের পরের মাসেই আইএমএফ অর্থনীতি প্রশ্নে তাদের নির্ধারিত পরবর্তী ভবিষ্যতবানী করবে।

যে সমস্ত দেশ সিরিয়া যুদ্ধের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত এবং জিকা ভাইরাস মোকাবেলায় হিমশিম খাচ্ছে তাদের কাধে অর্থনৈতিক মন্দাবস্থা ভারি বোঝার মতো চেপে বসতে পারে। গত বুধবার আইএমএফ প্রধান ক্রিস্টিন লাগার্দে আয়কর এবং রাজস্ব সংস্কারের লক্ষ্যে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার কথা বলেন। চলতি সপ্তাহে দ্বিতীয়বারের মতো বক্তব্যে লাগার্দে মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ে একই বক্তব্য তুলে ধরেন। দুবাইয়ে গ্লোবাল উইম্যান ফোরামে বক্তব্য দিতে গিয়ে লাগার্দে বলেন, ‘আমার মনে হয় অর্থনৈতিক ইস্যুগুলো নিয়ে টেবিলে বসে আলোচনার সময় এসে গেছে। আমরা যোদ্ধাদের থামাতে পারছি না, আমরা শান্তিচুক্তিও করতে পারছি না, কিন্তু আমরা উন্নত অর্থনৈতিক কাঠামো নিয়ে কাজ করতে পারি। যে রাষ্ট্র সত্যিকার অর্থেই তার জনগণের স্বর্থের জন্য কাজ করে সেই রাষ্ট্র আয়কর সংগ্রহ করে এবং উপযুক্ত উপায়ে জনগণের জন্যই সেই অর্থ ব্যয় করে। এধরণের অর্থনৈতিক কাঠামোই এই মুহূর্তে অনেক বেশি কার্য্কর।’