ঢাকাFriday , 26 February 2016
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

কে হচ্ছেন ব্লাটারের উত্তরসূরি?

Link Copied!

FIFAস্পোর্টস ডেস্ক : সেপ ব্লাটার পরবর্তী যুগে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা প্রেসিডেন্টের আসনে বসতে যাচ্ছেন, তা নির্ধারণ হবে শুক্রবার। এদিন সন্ধ্যায় ৬টায় ফিফার বিশেষ কংগ্রেসে ভোট গ্রহণ প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। গত বছর মে মাসে পঞ্চম মেয়াদে ব্লাটার নির্বাচিত হলেও পরে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেন। অবশ্য নির্বাচন পর্যন্ত তিনি থাকতে চাইলেও অক্টোবরেই তিনি বরখাস্ত হন।

সুইজারল্যান্ডের রাজধানী জুরিখে ফিফা সদর দফতরে ২০৭টি সদস্য দেশের প্রতিনিধিরা অংশ নেবে। তাদের ভোটেই নির্বাচিত হবে নতুন প্রেসিডেন্ট। এই ভোটের মাধ্যমেই ১৯৯৮ সাল থেকে প্রেসিডেন্ট হিসেবে সংস্থাটির দায়িত্বে থাকা ব্লাটারের পর নতুন উত্তরসূরি পাবে ফুটবল বিশ্ব।

নির্বাচনে পাঁচজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন। যার মধ্যে রয়েছেন শেখ সালমান বিন ইব্রাহিম আল খলিফা, গিয়ানি ইনফান্তিনো, প্রিন্স আলী বিন হোসেন, টোকিও সেক্সওয়াল ও জেরোমে শ্যাম্পেন।

বাহরাইনের শেখ সালমান এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশনের বর্তমান সভাপতি, প্রিন্স আলী জর্ডান ফুটবল এ্যাসোসিয়েশনের প্রধান; যিনি গত নির্বাচনে ব্লাটারের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বীতাও করেছেন, ফ্রান্সের জেরোমে শ্যাম্পেন ফিফার সাবেক কার্যনির্বাহী সদস্য, ইতালির ইনফান্তিনো ইউরোপিয়ান ফুটবলের সর্বোচ্চ সংস্থা উয়েফার জেনারেল সেক্রেটারি ও সেক্সওয়াল দক্ষিণ আফ্রিকা সরকারের সাবেক মন্ত্রী।

এর মধ্যে শেখ সালমানকে এখনো পর্যন্ত সবচেয়ে শক্তিশালী প্রার্থী হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। তার পক্ষে রয়েছে এশিয়া। আফ্রিকা অঞ্চলের ৫৪ ভোটের বেশিরভাগ সালমানের পক্ষে যাবে বলেই অনেকে ধারণা করছেন। অপরদিকে ইনফান্তিনোর পক্ষে ইউরোপ মহাদেশের সদস্য দেশগুলো রয়েছে। এছাড়া আমেরিকা অঞ্চলের অনেক সদস্য দেশের ভোটও তিনি পাবেন বলে ধারণা বিশ্লেষকদের। অবশ্য গোপন ভোট হওয়ায় কে জয় পায় তা দেখতে নির্বাচন শেষ হওয়া পর্যন্তই অপেক্ষা করতে হবে।

এমন এক সময়ে ফিফা প্রেসিডেন্ট নির্বাচন হচ্ছে যখন সংস্থাটির সাবেক প্রধান ব্লাটার, উয়েফা প্রেসিডেন্ট মিশেল প্লাতিনিসহ বেশ কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তা ফুটবলে দীর্ঘমেয়াদে নিষিদ্ধ হয়েছেন। তাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। অনেক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও সুইজারল্যান্ডে দুর্নীতির তদন্তও চলছে। গ্রেফতারও হয়েছেন কেউ কেউ। সেসব সঙ্কট থেকে সংস্থাটিকে বের করে এনে নতুনভাবে ইমেজ বৃদ্ধি করাটাই হবে নতুন নেতৃত্বের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।