চট্টগ্রাম প্রতিনিধি : চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশেষ পরিক্ষার দাবিতে ও দু’পক্ষের অভ্যন্তরীন কোন্দলে বিভাগ ও ছাত্রদের আবাসিক হলে ভাঙচুরের ঘটনায় ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে ঘটনার ৯ দিন পর অবশেষে তিনটি মামলা দায়ের করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
বৃহস্পতিবার রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড.কামরুল হুদা বাদি হয়ে হাটহাজারি থানায় এ মামলা তিনটি দায়ের করেন।
মামলায় ছাত্রলীগের দু’পক্ষের মোট ১০ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরো ৩০ জনকে আসামী করা হয়েছে।
এর মধ্যে গত ৮ ফেব্রুয়ারি সোহরাওয়াদী হলে ভাঙচুরের ঘটনায় হাটহাজারি থানার এস আই কমলকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। এ মামলায় ৬ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। তারা হলেন-আরাফাত হোসেন (হিসাববিজ্ঞান বিভাগ ২০০৯-১০ সেশন), বায়জিদ সজল, ইমতিয়াজ উদ্দিন চৌধুরী, ইশতিয়াক আহমেদ তানভির, আরাফাতুল ইসলাম ও মাহমুদুল ইসলাম।
৪ ফেব্রুয়ারি পদার্থবিদ্যা বিভাগে ভাঙচুরের ঘটনায় ফসিউল রহমান সনেটকে প্রধান আসামী করে অারো অজ্ঞাতনামা ২৫ জনকে আসামী করা হয়েছে। এ মামলাভার দেয়া হয়েছে হাটহাজারি থানার এস আই নুরুল আমিনকে।
শাহ আমানত হলে ভাঙচুরের ঘটনায় তিন জনের নাম উল্লেখ করে আরো কয়েকজনকে অজ্ঞাতনামা আসামী করা হয়েছে। তবে আসামিদের নামগুলো জানা যায়নি ।
হাটহাজারী থানার ওসি মোহাম্মদ ইসমাইল বলেন, ‘৪ ফেব্রুয়ারি পদার্থবিদ্যা বিভাগে, ৮ ও ৯ ফেব্রুয়ারি সোহরাওয়ার্দী ও শাহ আমানত হলে ভাঙচুরের ঘটনায় পৃথক তিনটি মামলা দায়ের হয়েছে। মামলার আসামিরা সবাই ছাত্রলীগের নেতাকর্মী।’
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘ঘটনার পর কোনো মামলা হয়নি গতকাল রাতেই (বৃহস্পতিবার) বিশ্ববিদ্যালয় রেজিস্ট্রার বাদি হয়ে এ তিন মামলা করেন।’

