ঢাকাTuesday , 16 February 2016
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

মেসির যে পেনাল্টি হৃদয় কাড়ে

Link Copied!

messi 1স্পোর্টস ডেস্ক : এমন পেনাল্টি গত এক শতাব্দীতে হয়েছে কিনা, কে জানে! যদি না-ই হয়ে থাকে, তাহলে নিদ্বির্ধায় বলা যায় সেল্টা ভিগোর বিপক্ষে মেসির পেনাল্টিটা ছিল শতাব্দীসেরা। যে পেনাল্টি সত্যিকারেই ফুটবলপ্রেমীদের হৃদয় কাড়ে।ফুটবল দুনিয়ায় এই অসাধারণ পেনাল্টি নিয়ে চলছে আলোচনা। আর্জেন্টাইন তারকা লিওনেল মেসির প্রশংসায় পঞ্চমুখ ফুটবলবোদ্ধা। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তাকে অভিনন্দন জানাচ্ছেন গোটা বিশ্বের ফুটবলভক্তরা। অভিনন্দন জানাতে ভুল করেনি তার ক্লাব বার্সেলোনাও।

কাতালান ক্লাবটির ওয়েবসাইটে শতাব্দীসেরা পেনাল্টি নিয়ে লেখা হয়েছে এভাবে, ‘সেল্টার বিপক্ষে চোখ ধাঁধানো এক গোল করেছেন মেসি। অসম্ভবকেই সম্ভব করলেন তিনি। অভিনন্দন তাকে। আমরা তার জন্য গর্বিত।’ তবে মেসির পেনাল্টি নিয়ে যে সমালোচনা হচ্ছে না, ব্যাপারটা ঠিক তেমন নয়। নিন্দুকদের জবাবটা অভশ্য বার্সা কোচ লুইস এনরিক দিলে রাখলেন, ‘কেউ এই পেনাল্টি পছন্দ করবে, কেউ হয়তো করবে না। তাতে কিছু আসে যায় না। তবে বার্সার খেলোয়াড় কিংবা এই ক্লাবের সদস্যরা মনে করে, শিরোপা জয়ের চেয়েও মুগ্ধকর খেলা দিয়ে ফুটবলটা উপভোগ করাই বরং ভালো।’

অনেকে আবার এই পেনাল্টিকে ‘ক্রইফি পেনাল্টি’ বলে থাকেন। অস্বীকার করলেন না বার্সা কোচও, ‘১৯৮২ সালে এই সেল্টা ভিগোর বিপক্ষে দুজন মিলে পেনাল্টিতে গোল করেছিলেন। এটা বৈধ ফুটবল রীতিকেই অনুসরণ করছে। আপনিও এ ধরনের পেনাল্টি নিতে পারেন।’ এনরিককে সাংবাদিকদের প্রশ্ন ছিল, ‘এমন পরিস্থিতিতে আপনি কীভাবে পেনাল্টি নিতেন?’। বার্সা বসের সাবলীল উত্তর, ‘আমি অবশ্য ঝুঁকি-টুকি নিতাম না। সরাসরি গোলবারেই শট নিতাম।’

উল্লেখ্য, সেল্টা ভিগোর বিপক্ষে ম্যাচের ৮০ মিনিটে সেল্টা ডিফেন্ডার কাস্ত্রো বক্সে ফেলে দেন মেসিকে। এতে রেফারি পেনাল্টির বাঁশি বাজান। সেই পেনাল্টিতেই সরাসরি গোলমুখে কিক না নিয়ে ডান দিকে আলতো পাস দেন মেসি। আর্জেন্টাইন তারকার কৌশল বুঝতে পেরে দ্রুত এগিয়ে গিয়ে বলে কিক নেন সুয়ারেজ। তাতে প্রতিপক্ষের গোলরক্ষক পরাস্ত হন এবং সুয়ারেজ হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন। সরাসরি কিক নিয়ে গোল করলে মেসি লা লিগায় ৩০০ গোলের মাইলফলক স্পর্শ করতে পারতেন। অথচ নিজের সেই মাইলফলকের চেয়ে সুয়ারেজের হ্যাটট্রিকটাকেই যেন বড় করে দেখলেন এই আর্জেন্টাইন সুপারস্টার। এতেই বোঝা যায় ‘এমএসএন’ খ্যাত বার্সার ত্রিফলার সম্পর্ক কতটা গভীর।

এখানেই শেষ নয়, মেসির মতো নেইমারও সুয়ারেজের হ্যাটট্রিকের প্রত্যাশী ছিলেন। নইলে মেসির ঠেলে দেয়া বলটি সেল্টার জালে প্রবেশ করাতে পারতেন তিনিও। সে কথাই ধরা পড়ল ব্রাজিল অধিনায়ক নেইমারের কণ্ঠে, ‘এটা আমার জন্যই পরিকল্পনা করা ছিল। আমরা এটা অনুশীলনও করেছি। কিন্তু সুয়ারেজ বলের কাছে আগে চলে গেছে।’

লুইস সুয়ারেজের হ্যাটট্রিক, লিওনেল মেসি ও নেইমার ও ইভান রাকিটিচের একটি করে গোলে ভর করে ম্যাচটিতে সেল্টা ভিগোকে ৬-১ ব্যবধানে হারিয়েছে লুইস এনরিকের দল বার্সেলোনা।
এবার ভিডিওতে দেখে নিন মেসির ‘পেনাল্টি অব দ্য সেঞ্চুরি’: www.youtube.com/watch?v=KTEq_RPBNTs