ঢাকাMonday , 15 February 2016
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

মেসির ‘পেনাল্টি অব দ্য সেঞ্চুরি’

Link Copied!

messiস্পোর্টস ডেস্ক : ঘটনাটা এবারই প্রথম তা নয়। তবে খুব যে অহরহ ঘটে আসছে বিষয়টি তেমনও নয়। ফুটবলের ইতিহাসে এমন একটি বিরল পেনাল্টি কিকই নিলেন লিওনেল মেসি। রোববার রাতে লা লিগা ম্যাচে সেল্টা ডি ভিগোর বিপক্ষে ৬-১ গোলের জয়ের দিনে মেসি নেন এই পেনাল্টি।

খেলার ৮০ মিনিটে সেল্টা ডিফেন্ডার কাস্ত্রো বক্সে ফেলে দেন মেসিকে। এতে রেফারি পেনাল্টির বাঁশি বাজান। সেই পেনাল্টিতেই সরাসরি গোলমুখে কিক না নিয়ে ডান দিকে আলতো পাস দেন মেসি। আর্জেন্টাইন তারকার কৌশল বুঝতে পেরে দ্রুত এগিয়ে গিয়ে বলে কিক নেন সুয়ারেজ। তাতে প্রতিপক্ষের গোলরক্ষক পরাস্ত হন এবং সুয়ারেজ হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন। সরাসরি কিক নিয়ে গোল করলে মেসি লা লিগায় ৩০০ গোলের মাইলফলক স্পর্শ করতে পারতেন। অথচ নিজের সেই মাইলফলকের চেয়ে সুয়ারেজের হ্যাটট্রিকটাকেই যেন বড় করে দেখলেন এই আর্জেন্টাইন সুপারস্টার।

এমন অদ্ভুত পেনাল্টি নিয়ে এতোক্ষণে সাড়া দুনিয়ার ফুটবলে আলোচনা-সমালোচনার ঝড় বইছে। কেউ এটিকে মেসির নতুন এক ক্যারিশমা বলছেন, কেউবা বলছেন প্রতিপক্ষকে অবমাননার মতো ঘটনা। তবে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই বিষয়টিকে ইতিবাচকভাবেই দেখা হচ্ছে। স্পেনের ক্রীড়া দৈনিকে মেসির নেয়া এই অদ্ভুত পেনাল্টিকে আখ্যা দেয়া হয়েছে ‘পেনাল্টি অব দ্য সেঞ্চুরি’ বা শতাব্দী সেরা পেনাল্টি হিসেবে।

ব্যাপারটি যে হঠাৎ উদ্ভাবিত তা নয়। নেইমার জানালেন এমন পেনাল্টি মারার পরিকল্পনা তাদের অনুশীলন থেকেই ছিল। তবে সেটি মেসি-সুয়ারেজ নয়, মেসি-নেইমার যুগলবন্দিতেই হওয়ার কথা ছিল। তিনি বলেন, ‘এটা আমার জন্যই পরিকল্পনা করা ছিল। আমরা এটা অনুশীলনও করেছি। কিন্তু সুয়ারেজ বলের কাছে আগে চলে গেছে।’

এমন অদ্ভুত পেনাল্টি এর আগে নিয়েছেন বার্সা কিংবদন্তি ইয়োহান ক্রুইফ। তিনি ১৯৮২ সালে আয়াক্সের হয়ে হেলমন্ড স্পোর্টের বিপক্ষে এমন পেনাল্টি নিয়েছিলেন। তখন পেনাল্টি থেকে সরাসরি গোলে শট না নিয়ে সতীর্থ জেসপার ওলসেনের সঙ্গে ওয়ান-টু খেলেন। এরপর ফিরতি পাস থেকে ক্রুইফ গোল করেন। এক দশক আগে আর্সেনালের হয়ে থিয়েরি অঁরি এমন গোলের চেষ্টা করেছিলেন। ম্যানসিটির বিপক্ষে এই প্রচেষ্টায় তার সঙ্গী ছিলেন রবার্ট পিরেস। কিন্তু সেই প্রচেষ্টা সফল হয়নি।

অবশ্য বার্সা কোচ এনরিক বিষয়টি নিয়ে খুব বেশি সন্তুষ্ট বলে মনে হয় না। ম্যাচ শেষে তিনি বলন, ‘ক্রুইফের সেই গোলটা তো আমাদের সবারই মনে আছে। আমি হলে এমন কাজ করার সাহস পেতাম না। সেক্ষেত্রে সরাসরি বলে কিকই নিতাম।’
তবে উচিত অনুচিত বিষয়ের প্রশ্নটি এড়িয়ে গিয়ে তিনি বলেন, ‘কেউ এটা পছন্দ করবে, কেউ হয়তো করবে না। তবে বার্সার খেলোয়াড় কিংবা এই ক্লাবের সদস্যরা মনে করে, শিরোপা জয়ের চেয়েও মুগ্ধকর খেলা দিয়ে ফুটবলটা উপভোগ করা জরুরি।’

এটা প্রতিপক্ষকে অসম্মান বলে মনে করেন না সেল্টা কোচ এদুয়ার্দো বেরিজ্জোর। তবে এমন পেনাল্টির কথা তিনি ভাবতে পারেননি।