নিজস্ব প্রতিবেদক : সাম্রাজ্যবাদবিরোধী ছাত্র প্রতিরোধ দিবসের কর্মসূচিতে বক্তারা বলেছেন, প্রতীকী অর্থে দেশে স্বৈরাচারের পতন হয়েছে। কিন্তু বাংলাদেশে সর্বস্তরে স্বৈরাচার এখনো টিকে রয়েছে। ক্ষমতায় থাকতে এই স্বৈরাচারের সাথে জোট করেছে। তাই স্বৈারাচারকে সাথে নিয়ে কোনদিন গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয় না।
রোবরার (১৪ ফেব্রুয়ারি) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রগতিশীল ছাত্র সংগঠনগুলোর বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ থেকে একথা বলা হয়। সাম্রাজ্যবাদবিরোধী ছাত্র ঐক্য ও প্রগতিশীল ছাত্র জোটের ব্যানারে এই কর্মসূচি পালিত হয়।
দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিন থেকে একটি মিছিল বের হয়। মিছিলটি বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ভবন, লাইব্রেরি, কেন্দ্রীয় মসজিদ হয়ে ডাকসুর সামনে সমাবেশে মিলিত হয়।
সমাবেশে বক্তব্য রাখেন ছাত্র ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় সংসদের সভাপতি লাকী আক্তার, সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের কেন্দ্রীয় সভাপতি সাইফুজ্জামান সাকন, ছাত্র ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক আশরাফুল আলম সোহেল, গণসংহতি আন্দোলনের আহ্বায়ক ফিরোজ আহাম্মেদ প্রমুখ।
লাকী আক্তার বলেন, ‘স্বৈরাচারকে আজ পর্যন্ত হটানো সম্ভব হয়নি। এর শুধু প্রতীকী পতন হয়েছে। শিক্ষাঙ্গনে এখনো সাম্রাজ্যবাদের অস্তিত্ব রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদগুলোকে অচল করে রাখা হয়েছে। ক্ষমতাসীন সরকারের ছাত্রসংগঠনের নেতারা বিশ্ববিদ্যালয়ের হলসমূহে দখলের মাধ্যমে ছাত্রদের জিম্মি করে রেখেছে।’
সাইফুজ্জামান সাকন বলেন, ‘মজিদ খানের শিক্ষানীতিতে সাধারণ শিক্ষার্থীদের অধিকার হরণ করা হয়েছিল। উচ্চশিক্ষাকে সীমিত করা হয়েছিল। শিক্ষার পঞ্চাশ ভাগ ব্যয় শিক্ষার্থীকে বহন করার নিয়ম করা হয়। তৎকালে প্রগতিশীল ছাত্র সংগঠনগুলো এর প্রতিবাদ করলে স্বৈরাচার এরশাদ সরকার ছাত্রদেরকে নির্যাতন করে। পরবর্তীতে তার পতন হলেও এখনো স্বৈরাচার এর চূড়ান্ত পতন হয়নি।’
হাফিজুর মোল্লার হত্যাকাণ্ডের বিচার দাবি করে তিনি বলেন, ‘হাফিজ অটোরিকশা চালকের ছেলে বলে এজন্য কেউ প্রতিবাদ করছে না। মন্ত্রীর ছেলে হলে ঠিকই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনের টনক নড়ত।’

