স্পোর্টস ডেস্ক : প্রথমবারের মতো যুব বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে উঠেছিল স্বাগতিক বাংলাদেশ। ফাইনাল থেকে এক কদম দূরে ছিল জুনিয়র টাইগাররা। ঘরের মাঠে আয়োজিত আসরের শেষটা বর্ণীল করার স্বপ্ন ছিল বাংলাদেশের তরুণদের। কিন্তু ওয়েস্ট ইন্ডিজের কাছে হেরে ফাইলের স্বপ্নভঙ্গের বেদনা নিয়ে খেলতে হবে এখন তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ। তবে দেশকে শিরোপা এনে দেয়ার দায়িত্বটা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের ওপর ছেড়ে দিলেন বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দলের অধিনায়ক মেহেদি হাসান মিরাজ।
১১তম আসরে এসে প্রথমবারের মতো সেমিফাইনাল খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছে বাংলাদেশ। যদিও সেমিতে এসে থেমে যেতে হয়েছে জুনিয়র টাইগারদের। আগামী ২০১৮ সালে নিউজিল্যান্ডে বসবে যুব বিশ্বকাপের দ্বাদশ আসর। ওই আসরে বাংলাদেশের তরুণরা বর্তমান অর্জনগুলোকে ছাড়িয়ে যাবে বলে আশাবাদী মিরাজ।
ওয়েস্ট ইন্ডিজের কাছে ৩ উইকেটের ব্যবধানে হেরে ফাইনালে উঠতে ব্যর্থ হয়েছে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল। পরে খেলা শেষে এ প্রসঙ্গে স্বাগতিক অধিনায়ক মিরাজ বলেন, ‘চ্যাম্পিয়ন বা রানার্সআপ হওয়া বড় কথা নয়। ১৬টি দলের বিশ্বকাপ, ১০টি টেস্ট খেলুড়ে দেশের মধ্যে আমরা উপরের দিকে আছি। একটা বিশ্বকাপে আমরা সেরা তিন-চারে আছি, এটাও কম কথা নয়।’
মুশফিকুর রহিমরা যা পারেননি সেটি করে দেখিয়েছে মিরাজের দল। এবার দেশকে যুব ক্রিকেটে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন করতে মিরাজরা আগ্রহ ভরে তাকিয়ে থাকবেন উত্তরসূরীর দিকে। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আস্তে আস্তে আমরা উন্নতি করছি। মুশফিক ভাইরা পাঁচ নম্বর হয়েছিল, আমরা আরেকটু এগোলাম। আশা করি, সামনের প্রজন্ম আরও এগোবে। ওরা চিন্তা করবে, চ্যাম্পিয়ন-রানার্সআপ হতে হবে।’
নিজ দলকে ফাইনালে তুলতে না পারলেও এখানেই থেমে থাকতে চান না মিরাজ। এখনো তাদের সামনে রয়েছে তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ। ওই ম্যাচটা জিততে চান স্বাগতিক অধিনায়ক। তবে ফাইনালে উঠতে না পারায় দারুণ মন খারাপ মিরাজের।
এ বিষয়ে মিরাজ বলেন, ‘আসল মন খারাপ থাকবে কারণ ম্যাচটি হেরে গেছি। স্যাররা সব সময় বলে যে তোমরা ভালো ক্রিকেট খেলছ। এটাই শেষ না। আরও সামনে যেতে হবে। সামনে আমাদের আরেকটা ম্যাচ আছে তৃতীয় স্থান। ওটাও আমাদের জন্যে খুব গুরুত্বপূর্ণ। ওটা জিততে পারলে অনেক বড় প্রাপ্তি হবে। প্রায় দশটা টেস্ট খেলুড়ে দলের মধ্যে যদি আমরা তিনে থাকতে পারি, তাহলে আমাদেরকে শীর্ষ পাঁচটি দলের একটি ধরা হবে।’

