ঢাকাThursday , 11 February 2016
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

সেমিতেও মিরাজের ব্যাটিং কারিশমা

Link Copied!

Mirajস্পোর্টস ডেস্ক : যুব বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে নেপালের বিপক্ষে দলের ব্যাটিং বিপর্যয়ে দারুণভাবে হাল ধরেছিলেন। সেমিফাইনালেও অধিনায়কোচিত ইনিংস খেলে দলকে ব্যাটিঙ বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেন বাংলাদেশ অধিনাযক মেহেদি হাসান মিরাজ। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে দ্বিতীয় সেমিফাইনালে বৃহস্পতিবার ৭৪ বলে ৬০ রানের এক কাব্যিক ইনিংস খেলেন তিনি। তার ফিফটি রানের ইনিংসে ভর করেই বাংলাদেশ পায় লড়াই করার মতো ২২৬ রানের পুঁজি।
ওয়েস্ট ইন্ডিজ যুবাদের বিপক্ষে সেমিফাইনালের আগের দিন মিরাজ বলেছিলেন দলের চাপের মধ্যেই তিনি ব্যাটিং করতে দারুণ পছন্দ করেন। বৃহস্পতিবার মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে যেন তারই প্রমাণ রাখলেন।
৮৮ রানে চার উইকেট হারিয়ে ভীষণ ব্যাটিং বিপর্যয়ের মুখে পড়েছিল জুনিয়র টাইগাররা। এরপর যেন পুরো দলের ব্যাটিংয়ের হাল যেন নিজ কাঁধে তুলে নিলেন মিরাজ। প্রথমে সঙ্গী হিসেবে নেপালের বিপক্ষে আগের ম্যাচে অপরাজিত ৭৫ রান করা জাকির হাসানকে পান। তবে দ্বিতীয় সেমিতে জাকির দলকে ব্যাক্তিগত বড় ইনিংস খেলতে ব্যার্থ হন। এরপর মোহাম্মদ সাইফুদ্দিনকে নিয়ে ইনিংস মেরামত মনোযোগী হন মিরাজ। এমনকি ১১৩ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে ফেলা দলকেও শেষ পর্যন্ত পথে ফেরান তিনি। এদিন ষষ্ঠ উইকেটে এই দুজনের ৮৫ রানের জুটিতেই বাংলাদেশ পায় লড়ার মতো রান।
কোয়ার্টার-ফাইনালে নেপালের বিপক্ষে অসাধারণ জুটিতে জয়ের দুই নায়কের মধ্যে জাকির আউট হলে মিরাজের সঙ্গী হন সাইফুদ্দিন। প্রথম ৩০ ওভারে স্পিন আনেননি ওয়েস্ট ইন্ডিজ অধিনায়ক শিমরন হেটমায়ার। ঘুরিয়ে ফিরিয়ে বোলিং করান প্রথম চার পেসারকেই। আরেক পেসার কিমো পল ফিল্ডিংয়ে চোট পেয়ে ওই সময় বোলিং করতে না পারায় বিপাকে পড়েন ক্যারিবিয়ান অধিনায়ক। স্পিন আক্রমণে আসায় স্বাচ্ছন্দে খেলতে থাকেন বাংলাদেশের দুই ব্যাটসম্যান।
উইকেটে থিতু হওয়ার পর পেসারদের বিপক্ষেও দারুণ খেলেছে মিরাজ-সাইফুদ্দিন জুটি। সিঙ্গেল-ডাবল নেয়ার ফাঁকে বাজে বলকে বাউন্ডারির বাইরে পাঠিয়ে দিয়েছেন প্রাপ্য সাজা। চোট কাটিয়ে বল হাতে নিয়েই বাংলাদেশের অগ্রযাত্রা থমকে দেন কিমো পল। ৪৬তম ওভারে পরপর দু’বলে দুই থিতু ব্যাটসম্যানকেই ফিরিয়ে দেন এই মিডিয়াম পেসার। শেষ পর্যন্ত ৭৪ বলে ৬০ রান করে সাজঘরে ফিরে যান মিরাজ। এই ইনিংসটিকে তিনি সাজান সাতটি দৃষ্টি নন্দন বাউন্ডারি দিয়ে। একইসঙ্গে এই টুর্নামেন্টর টানা দ্বিতীয় হাফ সেঞ্চুরিও তুলে নেন মিরাজ।