ঢাকাMonday , 8 February 2016
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

রাবি শিক্ষক তাহের হত্যাকাণ্ড
১০ বছরেও মামলার নিষ্পত্তি হয়নি

Link Copied!

taherরাবি প্রতিনিধি : রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূ-তত্ত্ব ও খনিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ড. এস তাহের হত্যাকাণ্ডের দশ বছর পার হলেও মামলার চূড়ান্ত নিষ্পত্তি হয়নি। এদিকে হত্যা মামলার দ্রুত নিষ্পত্তি ও বাস্তবায়নের দাবি জানিয়েছে বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।বিভাগের শিক্ষার্থীরা আজও শিক্ষক হত্যার ন্যায়বিচার না পাওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন। বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. গোলাম সাব্বির সাত্তার বলেন, ‘হাইকোর্টের বিচারের রায় দ্রুত নিষ্পত্তি এবং তা বাস্তবায়ন করতে হবে।’উল্লেখ্য, ২০০৬ সালের ১ ফেব্রুবয়ারি রাতে অধ্যাপক ড. তাহের বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক এলাকার পশ্চিম ২৩/বি বাসা থেকে নিখোঁজ হন। পরে ৩ ফেব্রুবয়ারি সকালে তার বাসার পিছনের সেফটিক ট্যাঙ্ক থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগ পুলিশ ড. তাহেরের বাসার কেয়ারটেকার জাহাঙ্গীরকে আটক করে। তার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী ৭ ফেব্রুয়ারি ড. তাহেরের সহকর্মী জামায়াতপন্থি শিক্ষক মিয়া মো. মহিউদ্দিনকে আটক করে। হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ড. তাহেরের ছেলে সানজিদ আলভী নগরীর মতিহার থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০০৭ সালের ১৮ মার্চ মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের তৎকালীন উপ-পরিদর্শক আহসানুল কবির জামায়াতপন্থি শিক্ষক মিয়া মহিউদ্দিন ও তৎকালীন রাবি শিবির নেতা মাহবুবুল আলম সালেহীসহ ৬ জনকে অভিযুক্ত করে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।পরে ২০০৭ সালের ৩ জুলাই রাজশাহী দ্রুত বিচার ট্রাইবুন্যালে মামলার বিচার কাজ শুরু হয়। ২০০৮ সালের ২২ মে আদালত জামায়াতপন্থি শিক্ষক মিয়া মোহাম্মদ মহিউদ্দিন, বাড়ির কেয়ারটেকার জাহাঙ্গীর আলম, জাহাঙ্গীরের ভাই শিবির কর্মী আব্দুস সালাম, নাজমুল ইসলামকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেয়। অভিযোগপত্রের অন্য দুই আসামি তৎকালীন রাবি শিবির সভাপতি মাহবুবুল আলম সালেহী ও জাহাঙ্গীরের বাবা আজিমুদ্দিনকে বেকসুর খালাস দেন।এরপর ডেথ রেফারেন্স শুনানির জন্য হাইকোর্টে আসে। এছাড়া রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিলও করেন আসামিরা। ৫ বছর পর ২০১৩ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে মামলার আপিল শুনানি শুরু হয়। ওই বছরের ২১ এপ্রিল আপিলের রায়ে দু’জন মৃত্যুদণ্ডাদেশ বহাল রেখে অন্য দু’জনের সাজা কমিয়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়া হয়।তবে অভিযোগপত্রে উল্লিখিত আসামিদের দু’জন খালাস পেয়ে যাওয়ায় এবং দু’জনের সাজা কমানোয় ড. তাহেরের পরিবারের পক্ষ থেকে আবার উচ্চ আদালতে আপিল করা হয়। কিন্তু ৩ বছর পার হয়ে গেলেও এখনো আপিলের নিষ্পত্তি হয়নি। ফলে বিচারের রায় কার্যকরও সম্ভব হয়নি।