ঢাকাMonday , 1 February 2016
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

নারীর প্রতি বৈষম্যের মূলে অর্থনৈতিক নির্ভরশীলতা

Link Copied!

গভর্নর ড. আতিউর রহমান

গভর্নর ড. আতিউর রহমান

অর্থনৈতিক প্রতিবেদক : বাংলাদেশের সংবিধানে সর্বক্ষেত্রে নারী-পুরুষের সমান অধিকারের কথা উল্লেখ থাকলেও এ দেশের নারীরা নানা বৈষম্যের শিকার হচ্ছেন; এই বৈষম্যমূলক আচরণের মূলে রয়েছে পুরুষের ওপর নারীর অর্থনৈতিক নির্ভরশীলতা।
রোববার বিকেলে রাজধানীর দিলকুশায় আলামিন সেন্টারে শিশু দিবাযত্ন কেন্দ্রের (ডেকেয়ার সেন্টার) উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর ড. আতিউর রহমান। বেসরকারি খাতের ২১টি ব্যাংকের সামাজিক নিরাপত্তা তহবিলের (সিএসআর) টাকায় এ ডেকেয়ার সেন্টার তৈরি করা হয়েছে।
গভর্নর বলেন, ‘নারীরা পরিবার তথা দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে পুরুষের সমান অংশগ্রহণ করতে পারছেন না। ফলে তাদেরকে সর্বদাই পুরুষের ওপর নির্ভরশীল থেকে বঞ্চিত হতে হয়। এই অবস্থা থেকে মুক্তির একমাত্র পথ নারীদের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে আরো বেশি করে অংশগ্রহণ।’
তিনি বলেন, ‘প্রায় চল্লিশ লাখ নারী শ্রমিক সমৃদ্ধ আমাদের প্রধান রপ্তানি খাত তৈরি পোশাক শিল্পসহ সরকারি-বেসরকারি অনেক প্রতিষ্ঠানে শিশু দিবাযত্ন কেন্দ্র গড়ে ওঠেনি বললেই চলে। তবে এখন ব্যাংকগুলো এ ব্যাপারে সক্রিয় হয়ে উঠছে। এভাবে যদি প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে শিশু দিবাযত্ন কেন্দ্র স্থাপিত হয়, তাহলে মায়েরা কর্মস্থলে নিশ্চিন্তে কাজ করে দেশের টেকসই উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে পারবেন।’
অনুষ্ঠানে এবিবির ভাইস প্রেসিডেন্ট ও ইসলামী ব্যাংকের ব্যাবস্থাপনা পরিচালক আব্দুল মান্নান ব্যাংকিং সেক্টরের কর্মকর্তাদের জন্য একটি ক্লাব গড়ে তোলার প্রস্তাব করলে গভর্নর বলেন, ‘ব্যাংকিং খাতের আমরা তো সবসময় মানুষের জন্যই কাজ করি। নিজেদেরও একটু রিক্রিয়েশন প্রয়োজন রয়েছে। তাই একটা ব্যাংকার্স ক্লাবও করা যেতে পারে। যেমন করে কাজ চলছে একটি হাসপাতাল তৈরির কাজ।’
বক্তৃতা শেষে গভর্নর দিবাযত্ন কেন্দ্রটির উদ্বোধন করেন এবং পরিদর্শন করেন। কেন্দ্রটির নাম পুষ্পিকা রাখার প্রস্তাবও দেন তিনি।
মতিঝিল যেসব ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় অবস্থিত তাদের ২১টির সহায়তায় এটি গড়ে উঠেছে; যাতে ব্যয় হয়েছে ৪৭ লাখ ৮৪ হাজার টাকা। এতে ৬০টি শিশুর পরিচর্যা করা সম্ভব। ইতিমধ্যে পৌনে ৩শ আবেদন জমা পড়েছে বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।
৬ মাস থেকে ৬ বছর বয়স পর্যন্ত শিশুদের এ কেন্দ্রে রাখা যাবে। শিশু প্রতি মাসে গুনতে হবে ২ হাজার টাকা।
অনুষ্ঠানে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সাসটেইনেবল ফাইন্যান্স বিভাগের মহাব্যবস্থাপক মনোজ কুমার বিশ্বাস সহ বিভিন্ন বেসরকারী ব্যাংকের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।