শাবি প্রতিনিধি : ‘ভালবাসি শাবিপ্রবি, ঘৃণা করি র্যাগিং’, ‘র্যাগিংয়ের নামে নিপীড়ক কিভাবে ছাত্র হয়’, ‘নির্যাতনকারীদের আজীবন বহিষ্কার চাই’ এমন ফেস্টুন হাতে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে মানববন্ধনে দাঁড়িয়েছিল সাধারণ শিক্ষার্থীরা।
তাদের দাবি ক্যাম্পাস এলাকায় শিক্ষার্থীদের সাথে র্যাগিংয়ের নামে হয়রানি যেন না করা হয়। ছাত্রীদের র্যাগিংয়ের ক্ষেত্রে বিষয়টি যৌন হয়রানির পর্যায়ে যাচ্ছে কি না সেটাও খতিয়ে দেখার দাবি সাধারণ শিক্ষার্থীদের। এক্ষেত্রে নিপীড়ক যেই হোক না কেন তার স্থান এ ক্যাম্পাসে নয় বলেও মতামত দেয় অনেক সাধারণ শিক্ষার্থী।
র্যাগিংয়ের প্রতিবাদে রোববার সকালে বিশ্ববিদ্যালয় লাইব্রেরি ভবনের সামনে মানববন্ধনে অংশ নেয় সর্বস্তরের সাধারণ শিক্ষার্থী।
প্রত্যক্ষদর্শী ও প্রক্টরিয়াল বডি সূত্রে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার গণিত বিভাগের নজরুল ইসলাম রাকিব, মোশাররফ, রাজু ও মাহমুদসহ কয়েকজন ক্যাফেটেরিয়ার ছাদে প্রথম সেমিস্টারের একটি মেয়েকে র্যাগ দেয়। এসময় মেয়েটি অজ্ঞান হয়ে পড়লে তাকে হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হয়। এঘটনায় তীব্র ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে।
মানববন্ধন শেষে সামবেশে ব্যবসা প্রশাসন বিভাগের শিক্ষার্থী সঙ্গীতা সরকার বলেন, ‘একটা মেয়ে তাকে কতটুকু র্যাগিং করা হইলে সে সেন্সলেস হয়ে পড়ে! আমরা এই র্যাগিং চাই না। র্যাগিংয়ের নামে নিপীড়নকারীকে অবশ্যই শাস্তি দিয়ে হবে।’
এসময় র্যাগিংয়ের প্রতিবাদ করায় সিনিয়র শিক্ষার্থীদের উপর জুনিয়র শিক্ষার্থীদের হামলার বিচারও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করা হয়।
উল্লেখ্য, গণিত বিভাগের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী নজরুল ইসলাম রাকিব, মাহমুদ, মোশাররফ এবং কেমিকেল ইঞ্জিনিয়ারিং চতুর্থ বর্ষের রাজু গণিত বিভাগের এত ছাত্রীকে র্যাগিংয়ের ঘটনায় ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগের আতিয়ার, মেহেদী প্রতিবাদ করলে ছোটরা বড়দের পেটায়।

