স্পোর্টস ডেস্ক : টানা ৪ ম্যাচে হারার পর হোয়াইটওয়াশ এড়াতে ভারতের দরকার ৩৩১ রান। সিডনি ক্রিকেট গ্রাউন্ডে টসে জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন ভারতীয় দলনেতা মহেন্দ্র সিং ধোনি। শুরুতে ভারতীয় বোলাররা বেশ ভালভাবে চেপে রাখছিল অসিদের। প্রথম ওভারেই অ্যারন ফিঞ্চকে ফিরিয়ে দিয়ে যার সূচনা করেন ইশান্ত শর্মা। এরপর দলনেতা স্মিথও বেশিক্ষণ থাকতে পারেননি। ব্যক্তিগত ২৮ রানে তিনিও ফেরেন অভিষিক্ত বোমরার বলে রোহিতের ক্যাচ হয়ে। স্মিথের আউটের রেশ কাটতে না কাটতেই তার পথ ধরলেন অভিজ্ঞ বেইলি। ঋষির বলে রোহিতের হাতে ধরে পড়ে বিদায় নেন জর্জ। স্কোরবোর্ড তখন রান ৭৮।
একপ্রান্তে ডেভিড ওয়ার্নার সঙ্গীর অপেক্ষায় ছিলেন। পঞ্চম ব্যাটসম্যান হিসেবে ক্রিজে আসেন শন মার্শ। উমেশ যাদবের দুর্দান্ত থ্রোতে তিনিও রান আউটে কাটা পড়ে যান। কিছুটা বিপদের মধ্যেই পড়ে যায় অস্ট্রেলিয়া।
এরপর ওয়ার্নার খোঁজে পেলেন তার সঙ্গী ছোট মার্শকে (মিশেল মার্শ) নিয়ে ছুটতে থাকেন নিরাপদ দূরত্বে। দলীয় ২৩৫ রানের মাথায় ইশান্ত শর্মার বলে জাদেজাকে ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান ওয়ার্নার। যাবার আগে তার নামের পাশে লেখা ছিল ১২২ রান। ওয়ার্নারের বিদায়ের পর উইকেটে এসে শুরুতেই আক্রমণাত্মক ভূমিকায় অবতীর্ণ হন ম্যাথু ওয়েড। ২৭ বলে ৩৬ রান করে তার ইনিংসের যবনিকা ঘটে।
দলীয় ৩০২ রানে ওয়েডের বিদায়ের পরপরই ফিরে যান ফকনার। অস্ট্রেলিয়ার রান ৭ উইকেটে ৩২৩। একপ্রান্ত আগলে থাকা মিচেল মার্শ তখন তার প্রথম সেঞ্চুরির অপেক্ষার প্রহর গুনছিলেন। ইনিংসের শেষ ওভারে ইশান্ত শর্মার বলে দুই রান নিয়ে পৌঁছে যান কাঙ্ক্ষিত মাইলফলকে। মাত্র ৭৯ বলে ক্যারিয়ারে প্রথম শতরান করলেন মার্শ পরিবারের সর্বকনিষ্ঠ ক্রিকেটার। নির্ধারিত ৫০ ওভারে অসিদের সংগ্রহ তাই ৩৩০।
ভারতীয় বোলারদের মধ্যে অভিষিক্ত বোমরা ও ইশান্ত শর্মা নেন দুটি করে উইকেট। ইনিংসের সবচেয়ে খরুচে বোলার উমেশ যাদব ৮ ওভার বল করে ৮২ রান দিয়ে নেন এক উইকেট। আরেক পেসার ঋষি ধাওয়ান নেন এক উইকেট।
অস্ট্রেলিয়া: অ্যারন ফিঞ্চ, ডেভিড ওয়ার্নার, স্টিভ স্মিথ, জর্জ বেইলি, শন মার্শ, মিশেল মার্শ, মেথু ওয়েড, জেমস ফকনার, জন হোস্টিংস, স্কট বোল্যান্ড ও ন্যাথান লিয়ন।
ভারত: রোহিত শর্মা, শিখর ধাওয়ান, বিরাট কোহলি, মানিশ পান্ডে, মাহেন্দ্র সিং ধোনি, গুরকিরাত সিং মান, রবীন্দ্র জাদেজা, ঋষি ধাওয়ান, জাসপ্রিত ভোমরা, উমেশ যাদব ও ইশান্ত শর্মা।

