স্পোর্টস ডেস্ক : সামনে এশিয়া কাপ ও টি২০ বিশ্বকাপ। তাই প্রস্তুতি সারতে প্রতিটি দলই বেছে নিচ্ছে দ্বিপাক্ষিক সিরিজ। বাংলাদেশও তার ব্যতিক্রম নয়। নয় জিম্বাবুয়েও। দুটি দলই আবার চার ম্যাচের এই টি২০ সিরিজকে পরীক্ষা-নিরীক্ষার সিরিজ হিসেবে নিয়েছে।
কারণ টি০ বিশ্বকাপের আগে জয়ের পাশাপাশি সেরা কম্বিনেশন দাঁড় করানোর চেষ্টা আছে বাংলাদেশ ও জিম্বাবুয়ের। যদিও সফরকরী জিম্বাবুয়ে টি২০ সিরিজে ফিরতে দ্বিতীয় ম্যাচে তিনটি পরিবর্তন নিয়ে মাঠে খেলতে নেমেছে। আর স্বাগতিক বাংলাদেশ প্রথম টি২০ ম্যাচের একাদশের ওপর আস্থা রেখেছে। আর তাই দ্বিতীয় টি২০ ম্যাচের একাদশে জায়গা হয়নি আবু হায়দার রনির।
যদিও গত নভেম্বরে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) তৃতীয় আসরে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের শিরোপা জয়ের পিছনে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রেখেছিলেন এই বাঁহাতি পেসার। ওই আসরে ২১ টি উইকেট নিয়ে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ উইকেট শিকারীও হয়েছিলেন রনি। তাই জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে প্রথম দুই টি২০ ম্যাচের জন্য ঘোষিত ১৪ সদস্যের দলে ছিলেন এই বাঁহাতি পেসার। তাই টি২০তে অভিষেকের আলোচনায় ছিলেন রনি।
কিন্তু জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে চার ম্যাচের টি২০ সিরিজের প্রথমটিতে আল-আমিন হোসেন ও মুস্তাফিজুর রহমান বল হাতে আলো ছাড়ান। এই দুই পেসার সেদিন সবচেয়ে কম রান দিয়ে পেয়েছিলেন সমান দুটি করে উইকেট। তবে সেদিন ব্যাটিংয়ে খুব একটা ভালো করতে পারেনি শুভাগত হোম চৌধুরী। তারপরও প্রথম টি২০ ম্যাচ জয়ী একাদশের ওপরই আস্থা রেখেছে বাংলাদেশের টিম ম্যানেজমেন্ট। তাই দ্বিতীয় টি২০ ম্যাচের একাদশে সুযোগ পাননি আবু হায়দার রনি। অভিষেকের জন্য এই বাঁহাতি পেসারের অপেক্ষার প্রহর দীর্ঘ হলো।
যদিও রোববার সফরকারী জিম্বাবুয়ে দল তাদের একাদশে তিনটি পরিবর্তন নিয়ে মাঠে নেমেছে। তবুও এদিন বাংলাদেশের টিম ম্যানেজমেন্ট আবু হায়দার রনিকে খেলানোর কোনো রকম ঝুঁকি নেয়নি। তাই এখন শেষ দুটি টি২০ ম্যাচের দিকেই দৃষ্টি স্বাগতিক দলের এই বাঁহাতি পেসারের।

